চার বছর পর আবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের লড়াই দেখতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাসী। এর আগে ২০২০ সালে নির্বাচনে এই দুইজনের লড়াই দেখেছিল বিশ্ব।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দুই দলেরই নীতি নির্ধারকরা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চুড়ান্ত প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শেষ করেছেন। রিপাবলিকান পার্টি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিসেবে জো বাইডেন চূড়ান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে প্রার্থী বাছাই ভোটের আয়োজন করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক দল। প্রতিটি ভোটেই অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন বাইডেন-ট্রাম্প উভয়ই।
চূড়ান্ত মনোনয়নের জন্য বাইডেনের ১৯৬৮ জন প্রতিনিধির প্রয়োজন ছিল এবং মঙ্গলবার রাতেই জর্জিয়ার প্রাথমিক বাছাইপর্ব থেকে ফলাফল আসার সাথে সাথেই তিনি প্রয়োজনীয় সংখ্যাক প্রতিনিধির ভোট পেয়ে যান।
অন্যদিকে রিপাবলিকান পার্টি থেকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও মনোনয়ন নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় ১২১৫ প্রতিনিধিদের ভোট জিতেছেন।
ফলে নভেম্বরের নির্বাচনে চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা যে ট্রাম্প এবং বাইডেনের মধ্যে ঘটছে— তা একপ্রকার নিশ্চিত।
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বাইডেন-ট্রাম্পের আসন্ন এই দ্বৈরথকে বলছে ‘ইলেকশন রিম্যাচ’ এবং গত নির্বাচনে দুই প্রার্থীকে ঘিরে যেমন টানটান উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে বলে মনে করছেন অধিকাংশ মার্কিন রাজনীতি বিশ্লেষক।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনে এক ভাষণে বাইডেন বলেন, ‘বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক সময়ে এসে পৌঁছেছে, যখন দেশের গণতন্ত্রের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে ‘ট্রাম্প হুমকি’।
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি, অর্থনীতি ও মূল্যবোধ যে যে ব্যাপক বিপর্যয়ের আশঙ্কার মুখে পড়েছিল, সেই অবস্থা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি এবং সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছি।’
একই দিন রিপাবলিকান পার্টির এক জনসভায় ট্রাম্প বাইডেনের সমালোচনা করে বলেন, ‘বর্তমান প্রেসিডেন্টের আমলে যুক্তরাষ্ট্র সংকটের ঘূর্ণাবর্তে পড়েছে এবং এই অবস্থা থেকে দেশ-জাতিকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজন কঠোরতর অভিবাসন আইন, সীমান্ত সিলগালা করে দেওয়া এবং রেকর্ড সংখ্যক অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।‘
এখন দেখার বিষয় বাইডেন নাকি ট্রাম্প কাকে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চান মার্কিনীরা। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে আগামী ৫ নভেম্বর থেকে।
আফগানিস্তানে ভারী বৃষ্টি ও তুষারপাতে নিহত ৬০
গাজায় ত্রাণ নিতে এসে ইসরায়েলি হামলায় ৬ ফিলিস্তিনি নিহত
যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে টিকটক