জোড়া গোল হজমে বাড়লো গোল না পাওয়ার আক্ষেপ

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৪, ০২:৪৮ এএম

বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে ৮৬ ধাপ এগিয়ে থাকা ফিলিস্তিনের বিপক্ষে চোখে চোখ রেখে খেলছিল বাংলাদেশ। তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল হজমে শেষ হয়ে যায় তাদের সব প্রতিরোধ। 

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ফিলিস্তিন বিরতিতে গেছে দুই গোলের লিড নিয়ে। অথচ গল্পটা অন্যরকমও হতে পারতো। এই অর্ধ্বে বাংলাদেশও পেতে পারতো গোল। সেটা না পাওয়ার আক্ষেপ শেষ দিকে বেড়েছে রক্ষণের দুর্বলতায় দুই গোল হজমে। 

কুয়েতের জাবের আল আহমাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে দেখা গেছে ফিলিস্তিনিদের। নিজেদের হোম ভেন্যু হলেও প্রবাসী হাজারো বাংলাদেশী গ্যালারিতে ছিলেন নিজেদের দলকে সমর্থন দিতে। তাতে উজ্জীবিত হয়েই খেলতে দেখা যায় বাংলাদেশকে। 

ম্যাচের সপ্তম মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে রাকিব বাঁ দিক দিয়ে দ্রুত বল নিয়ে ঠিকঠাক কাটব্যাকটা ফেলতে পারেননি ফাঁকায় থাকা ফাহিমের পায়ে। সেটা পেলে এই ম্যাচে এগিয়ে যেতো বাংলাদেশ। দুই মিনিট পর অবশ্য গোল পেতে পারতেন ফিলিস্তিনের এই দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ওদে দাবাগ। নিজেদের অর্ধ থেকে সতীর্থের লং বল বিশ্বনাথ ঘোষ হেড করতে গিয়ে নাগাল পাননি। দাবাগ সেটা পেলেও ঠিকঠাক চিপ করতে পারেননি। 

১৪ মিনিটে রাকিব স্বার্থপরতা না করলে বিপদ ঘটতে পারতো ফিলিস্তিনের। ফাহিমের ডিফেন্সচেড়া থ্রু ধরে আক্রমণে উঠে ক্রস না করে নিজেই জালে রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। ১৯ মিনিটে বড় বাঁচা বেচে যায় বাংলাদেশ। সতীর্থের লম্বা বল বাংলাদেশের ডিফেন্ডিং লাইনকে বোকা বানায় পেয়ে যায় বাতরান ইসলামকে। তবে দারুণভাবে বলটা নামালেও তার চিপটা উপরের জাল কাঁপায়। ২৩ মিনিটে ঈশা ফয়সালের ক্রসে ফাহিমের দুর্বল হেড আয়ত্বে নেন ফিলিস্তিন কিপার রামি হামাদা। 

ম্যাচের ২৭ মিনিটে গোলের সেরা সুযোগ হেলায় নষ্ট করেন বাংলাদেশ মিডফিল্ডার সোহেল রানা। জামালের পাস ধরে ফাহিম বাঁ দিক থেকে দ্রুত বক্সে ঢুকে দারুণ কাটব্যাক দিয়েছিলেন আনমার্কড সোহেল রানাকে। চলতি বলে এলমেলো প্লেসিংয়ে সেরা সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি। ৩২ মিনিটে মিতুলের কৃতিত্বে বেচে যায় বাংলাদেশ। মিতুলকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন অভিজ্ঞ দাবাগ। তবে তার প্লেসিং শুয়ে পড়ে পা দিয়ে রুখে দেন মিতুল। ম্যাচের ৪৩ মিনিটে সব প্রতিরোধ শেষ হয় বাংলাদেশের। 

বিরতির আগেই গোল হজম করতে হলো বাংলাদেশকে। যেভাবে গোল হজম করেছে সেটা মোটেই কাম্য ছিলো না। রক্ষণের খানিকটা গাঁ ছাড়া ভাবের সুযোগ কাজে লাগায় ফিলিস্তিন। অধিনায়ক বাত্তাতের ক্রস পেয়ে ছোট করে আবুওয়ার্দাকের দিয়েছিলেন দাবাগ। আবুওয়ার্দার শট অবশ্য ঠেকিয়ে দিয়েছিলেন মিতুল। তবে ফিরতি বল ছোট ঠিকই জালে জড়িয়ে ক্যারিয়ারে ১৪তম গোলের দেখা পান দাবাগ। আর যোগ করা সময়ে সতীর্থের কর্নার থেকে গোলমুখে বল পেয়ে সেহাব কুমবর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত