এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সেতুর পিলার ভেঙে দেবে পড়ে আছে। বর্ষ এলেই সেতুটি হয়ে যায় মরণ ফাঁদ। কিন্তু দেখার কেউ নেই। সেতুর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে গ্রামের মানুষ। সেতু দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রায় সময় ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত সেতু নির্মাণের। সেতুটি নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার কৃষ্টপুর এলাকার।
জানা গেছে, ২০০১ সালে সেতুটি নির্মাণ করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। পোগলা ইউনিয়নের লোকজন উপজেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যেতে ওই সেতুর ওপর দিয়ে যাতায়াত করে। প্রতিদিন সেতুর ওপর দিয়ে কৃষ্টপুর, আমবাড়ি, শুনুই, পাঠানপাড়া, রামনাথপুর, পলাশহাটি, মূলগাঁও, পোগলাসহ আরও ১৫টি গ্রামের শত শত মানুষ আসা-যাওয়া করে। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সেতুটির দক্ষিণ পাশে পিলার ভেঙে দেবে গেছে। আবার কিছু অংশ এখনও ঝুলছে। হেমন্ত মৌসুমে কোনো রকম চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায়। বর্ষাকালে পানির চলাচল করতে পারে না। বিকল্প কোনো রাস্তা না থাকায় ভাঙা সেতু দিয়ে বাধ্য হয়ে চলাচল করছে এসব এলাকার লোকজন।
কৃষ্টপুর গ্রামের মো. আলতাব মিয়া বলেন, সেতুটি ভেঙে যাওয়ার পর মাঝেমধ্যে লোকজন এসে ওপর মাটি দিয়ে যায়। সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রামের ছাত্র-ছাত্রীসহ শত শত মানুষ আসা-যাওয়া করে। দিনের বেলা কোনো রকমে চলাচল করা গেলেও রাতের বেলা অন্ধকারে চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়।
বাহত্তরকান্দা গ্রামের বাসিন্দা মো. আল আমিন বলেন, চলাচলে সময় অনেক মানুষ সেতু থেকে পড়ে আহত হয়েছে। বৃষ্টি হলে অটোরিকশা মোটরসাইকেল উঠা-নামার সময় আটকে যায়। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে সেতুর ওপর দিয়ে যেতে ভয় লাগে।
কলমাকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী শুভ্রদেব চক্রবর্তী বলেন, উপজেলার সব সেতু প্রস্তাব করা আছে। অনুমোদন হলেই সেতু নির্মাণ করা হবে।
