আইনের শাসনহীন এই দেশে নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই অভিযোগ করেন।
সম্প্রতি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ২২ জন নেতাকর্মী শেরপুর জডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে প্রেরণ করে।
এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘৭ জানুয়ারির আওয়ামী ডামি সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারা দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম চালাচ্ছে। মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২২ জন নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর ও কারাগারের পাঠানোর মধ্য দিয়ে জুলুমের আরও একটি কুনজির স্থাপিত হলো।’
তিনি বলেন, ‘রোজার প্রাক্কালে বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি, সুপেয় পানিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির লাগামহীন চড়ামূল্যে মানুষ চোখে অন্ধকার দেখছে। এমন পরিস্থিতি আওয়ামী সরকার বিএনপিসহ বিরোধী দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে নিত্য নতুন মিথ্যা মামলায় আটকসহ জামিন নামঞ্জুরের মাধ্যমে কারান্তরীণের হিড়িক অব্যাহত রেখেছে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ সংকট। ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম এবং দাপটে মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাই সকল অপকর্মকে আড়াল করতেই ডামি সরকার নতুন করে সরকারি জুলুমের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে। অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় আসামি হওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আইনের শাসনহীন এই দেশে নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। ৭ জানুয়ারির ডামি নির্বাচনের পর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী কতৃর্ত্ববাদী সরকার আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তবে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে সংগ্রামী জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’
বিবৃতিতে মাহমুদুল হক রুবেলসহ বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আরও ২২ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারসহ অবিলম্বে তাদের নিঃশর্ত মুক্তির জোর আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।
৫৭-৫ থেকে ২৮০ শ্রীলঙ্কা
এক যুগ ধরে ভাঙা সেতুতে ঝুঁকি নিয়েই চলাচল