ফেনীর ফুলগাজীর জিএমহাট ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামে সৌদি প্রবাসী ফারুকের বাড়িতে খড়ের গোদায় আগুন দিয়ে তার স্ত্রী ফাতেমাকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করেছে সন্ত্রাসীরা।
গতকাল শনিবার (৭ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে স্বজনরা তাকে না পেয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী ক্ষেতের মাঝখান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নেয়া হলে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে পাঠানো হয়।
পুলিশ স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, রাত ২টার দিকে ফাতেমা শবেকদরের নামাজ পড়ছিল এ সময় নাকে পোড়া গন্ধ পেয়ে মেয়েদেরকে নিয়ে বের হন ফাতেমা। পরে বাহিরে দেখে খড়ের গাদায় আগুন জ্বলছে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে আগুন নিভাতে, এর ফাঁকে বাহিরে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা ফাতেমাকে তুলে নিয়ে যায়। স্বজনরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখোজি করে, তাকে না পেলে সরকারের জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘণ্টা খানেক খোঁজাখোঁজির পর ধানক্ষেতে রক্তাক্ত অবস্থায় ফাতেমাকে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসা জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্থানান্তর করা হয়।
ফাতেমার ভাই সেলিমের অভিযোগ, বেশ কিছুদিন ধরে আমার বোনের সাথে ঘরের ভিটার জমি নিয়ে বিরোধ চলছে পাশের বাড়ির খোকন মজুমদারের সাথে। সে তাদের ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেয়। এর আগেও হামলা করছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে খড়ের গাদায় আগুন দিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে এনে আমার বোনকে তুলে নিয়ে যায়। এবং মাথা হাত পা ও শরীরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে খুপিয়েছে। মরে গিয়েছে ভেবে রেখে পালিয়ে যায়। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।
