‘তেরি বাতো মে অ্যায়সা উলঝা জিয়া’ এর পর এবার ‘ক্রু’র সাফল্যে ভাসছেন কৃতি শ্যানন। পরপর দুই সিনেমা বক্স অফিসে সফল। তাই স্বভাবতই বেশ ফুরফুরে মেজাজেই আছেন নায়িকা। কিন্তু এই আনন্দঘন সময়ে তিনি মনে করলেন নিজের হতাশার অধ্যায়কে। জানালেন, স্টারকিডদের দাপটে নিজেকে সুযোগ বঞ্চিত মনে করতেন তিনি।
পিঙ্কভিলার এক সাক্ষাৎকারে কৃতি বলেন, ‘একটা সময় ছিল, আমি খুব হতাশার মধ্যে ছিলাম। কারণ আমি জানতাম যে, আমার মধ্যে অনেক সম্ভাবনা ছিল; কিন্তু সে অনুযায়ী সুযোগ পাইনি। আমি গভীর (গল্প-চরিত্র) কিছু চাচ্ছিলাম। অভিনয়শিল্পী হিসেবে নিজের যোগ্যতা ফুটিয়ে তুলতে চাচ্ছিলাম। কিন্তু আপনাকে যদি ছোট পাত্র দেওয়া হয়, আপনি অল্প জলই ভরতে পারবেন। ফলে দীর্ঘ দিন ধরেই একটা বড় পাত্রের (ভালো চরিত্র) খোঁজে ছিলাম।’
খোলাসা করে কারও নাম উল্লেখ না করলেও তারকার সন্তানরা যে অধিক সুযোগ পায়, সে প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেছেন, ‘আমি হতাশ হয়ে পড়ছিলাম, কারণ মনে হতো, এটা তো আমি করতে পারবো; খুব ভালোভাবে পারবো। কিন্তু সুযোগটা আমি পাচ্ছিলাম না। অথচ ওই সময়ে কিছু নতুন মুখ এলো, তাদের কেউ কেউ তারকাদের সন্তান। কিছু না করেই তারা বড় বড় সুযোগ পাচ্ছিল। আর আমি ভাবছিলাম, কীভাবে…!’
তার সেই হতাশার পর্ব কাটে ‘মিমি’ সিনেমার মাধ্যমে, ২০২১ সালে। এই সিনেমার জন্য দর্শকের ভালোবাসা যেমন পেয়েছেন, তেমনি সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার অর্জন করেছেন কৃতি।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ মার্চ মুক্তি পাওয়া ‘ক্রু’র বৈশ্বিক বক্স অফিস কালেকশন ইতোমধ্যে ১০০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে গেছে। রাজেশ এ কৃষ্ণন পরিচালিত এই সিনেমাতে তার সঙ্গে আছেন কারিনা কাপুর ও টাবু।
২৭ দিন জেলে ছিলাম, অভিজ্ঞতা লিখে রেখেছি: পরীমণি