সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

জিম্মি নাবিক

৯৯ দিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার ৩১ দিনেই উদ্ধার

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ১০:২৯ পিএম

গত ১২ মার্চ সোমালীয় জলদস্যুদের কবলে পড়ে জিম্মি হয় কেএসআরএম গ্রুপে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ। এরপর কেটে যায় ৩৩ দিন। নানা উৎকণ্ঠা, ভয় সংশয় কাটিয়ে অবশেষে ২৩ নাবিকসহ মুক্তি পায় জাহাজটি। ২০১০ সালে একই গ্রুপের আরেকটি আরেকটি জাহাজ এমভি জাহান মণি জিম্মি করেছিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা। সেবার দস্যুদের কবল থেকে জাহাজ উদ্ধারে সময় লেগেছিল ৯৯ দিন।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, জাহাজ উদ্ধারে আগের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার দস্যুদের সঙ্গে দ্রুত দর কষাকষি শুরু করে মালিকপক্ষ। ফলে মুক্তিপণ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু থেকে সার্বিক কাজ এগিয়েছে দ্রুতগতিতে।

গত শনিবার বাংলাদেশ সময় শেষ রাতে এমভি আবদুল্লাহ থেকে দস্যুরা নেমে যায়। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুটি যুদ্ধজাহাজের পাহারায় সোমালিয়া উপকূল ত্যাগ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকে রওনা হয় এমভি আব্দুল্লাহ, আর মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় নাবিকরা। 

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ দুপুর দেড়টার দিকে সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিসু থেকে প্রায় ৬০০ নটিক্যাল মাইল দূরে ভারত মহাসাগর থেকে এমভি আবদুল্লাহর সেকেন্ড অফিসার মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রথম অস্ত্র ঠেকিয়েছিল সোমালিয়ান জলদস্যুরা।  জাহাজটি মোজাম্বিক থেকে ৫৫ হাজার টন কয়লা নিয়ে দুবাই যাচ্ছিল। জাহাজটি ছিনতাইয়ের পর সোমালিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলের গ্যরাকাদে নোঙ্গর করে ছিল। রবিবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৩টায় জাহাজ থেকে ৬৫ জন জলদস্যু নেমে গিয়ে নাবিকদের মুক্ত করে দেয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত