১৫ বছর পর অবসর ভেঙে মাঠে ফিরছেন কিংবদন্তি রোমারিও

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০১:০৮ পিএম

১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোমারিও। বুটজোড়া তুলে রেখেছিলেন ২০০৭ সালে। দুই বছর পর রিও ডি জেনিরোর ক্লাব আমেরিকার হয়ে একটি ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন। সেই ঘটনারও পেরিয়ে গেছে ১৫ বছর। ৫৮’র ঘরে পা দেওয়া ‘সুপার মারিও’ আবার ফিরতে যাচ্ছেন ফুটবলে।

রোমারিও ২০০৯ সাল থেকে আমেরিকা ফুটবল ক্লাবের সভাপতি। এই ক্লাবের হয়েই রিও ডি জেনিরোর স্টেট ফুটবল লিগের দ্বিতীয় বিভাগের প্রতিযোগিতা ক্যাম্পেনাতো ক্যারিওকা সিরি আ২ প্রতিযোগিতায় মাঠে নামবেন তিনি। মাসখানেক আগের রোমারিওর ছেলে ৩০ বছর বয়সী রোমারিনিওকে দলে ভিড়িয়েছে আমেরিকা। রোমারিও ফিরলে মাঠে বাবা-ছেলের একসঙ্গে খেলার স্বপ্নপূরণ হবে। ‘সুপার মারিও’র ফুটবলে ফেরার পেছনে এটাও একটা বড় কারণ।

৯৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে রোমারিও

মাঠে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি নিজে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী। ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম ‘ও গ্লোবো’কে এ নিয়ে রোমারিও বলেন, ‘খুব কম অ্যাথলেট এবং ফুটবলারই নিজের ছেলের সঙ্গে খেলার স্বপ্নপূরণের সুযোগ পায়। আমার বয়স ৫৮ বছর হলেও এখনো বেশ ভালো বোধ করছি। খেলাধুলা করি, ফুটবল খেলি, বাইরেও বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকি...খেলার জন্য নিজেকে যথেষ্ট যোগ্য বলেই মনে করি।’

রোমারিও জানিয়েছেন, এমনিতে ক্লাবের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তবে অপেশাদার ফুটবল খেলা রোমারিও জানেন, প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন হওয়া কত কঠিন! সেটা হোক না রাজ্য লিগে দ্বিতীয় বিভাগের প্রতিযোগিতা। সে জন্য ‘চেষ্টা করতে হবে’ বলেও জানিয়েছেন রোমারিও। আর এই চেষ্টার মধ্যে রয়েছে অনুশীলন—ক্যারিয়ারের সোনালি সময়ে এই কাজটি করতেই আলসেমি করতেন রোমারিও। তবে এবার আর সেটি হচ্ছে না। রোমারিও বলেছেন, ‘অবশ্যই আমি অনুশীলন করব।’

বিশ্বকাপ শিরোপাহাতে রোমারিও

১৯৮৫ সালে ভাস্কো দা গামার হয়ে পেশাদার ফুটবল শুরু করেন রোমারিও। ৮৮’তে পিএসভি এবং ৯৩-তে যোগ দেন বার্সেলোনায়। এর পর খেলেছেন ফ্ল্যামেঙ্গো, ভ্যালেন্সিয়া, আল সাদ, মায়ামি এফসি ও অ্যাডিলেইড ইউনাইটেডে। ব্রাজিলের জার্সিতে ৭০ ম্যাচে ৫৫ গোল করা রোমারিও জিতেছেন ১৯৮৯ ও ১৯৯৭ কোপা আমেরিকা। তবে তার সবচেয়ে বড় অর্জন ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জেতা।  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত