বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো সি সেসা। এ সময় দুদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তার ব্যাপারে আলোচনা করেন দুজন।
সৌজন্য সাক্ষাত শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে ক্রিকেটের সহযোগিতা চেয়েছে। আমি তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছি- কিউরেটর থেকে শুরু করে যা প্রয়োজন আমরা দিতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে আমাদের ক্রিকেটাররাও সেখানে গিয়ে খেলবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি তারা কাবাডি নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় খেলায় তারা একবার অংশ নিয়েছিল। আমরা কাবাডিতেও তাদের সহায়তা করতে পারি।’
ক্রিকেট ও কাবাডিতে সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি নিজেদের ফুটবল এবং হকিতে আর্জেন্টিনার সাহায্য চায় বাংলাদেশ। বিশেষ করে ফুটবলে বেশি জোর দিয়েছেন মন্ত্রী পাপন। বলেন, ‘ফুটবলে তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। অনেক ঐতিহ্য তাদের। আমরা তাদের কাছ থেকে কোচ নিতে পারি আবার আমাদের ছেলে-মেয়েরা ওখানে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারে। হকিতে আমাদের সম্ভাবনা রয়েছে আবার তারাও হকিতে বিশ্ব মানের। হকি নিয়ে তাদেরও আগ্রহ আছে। আমরা একে অপরকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি- এ রকম একটা ডিটেইলস একে অন্যকে দেব। এরপর মূলত কাজ শুরু হবে।’
বাংলাদেশে দূতাবাস স্থাপনের পর আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্র মন্ত্রী বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন। সেই সময় তিনি বাফুফে ভবনেও গিয়েছিলেন। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ফুটবল নিয়ে একটি সমঝোতা স্বাক্ষরও হয়েছিল। গত ফেব্রুয়ারিতে হওয়া সেই সমঝোতা চুক্তি অবশ্য তার পর আর কার্যকর পদক্ষেপ দেখেনি।
আর্জেন্টিনা রাষ্ট্রদূত এ সময় বলেন, ‘সমঝোতা স্বাক্ষরের পর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা। অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। অবশ্যই ফুটবল সেখানে প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া আমরা ক্রিকেট ও হকিতে এগোতে চাই সেটাও জানিয়েছি।’ সমঝোতা চুক্তি নিয়ে মারসেলো বলেন, ‘আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশ দুই দিকেই নির্বাচন ছিল। আমরা এখন দুই দেশ ক্রীড়ার মাধ্যমে আরো কাছাকাছি আসতে চাই।’
