বুধবার, ১৯ জুন ২০২৪, ৫ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ইসফাহানেই কেন হামলা চালাল ইসরায়েল?

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১০:১৩ পিএম

ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় শহর ইসফাহানে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। শহরটির আশপাশে সামরিক গবেষণা, উন্নয়ন স্থাপনা ও সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির কেন্দ্রস্থল নাতাঞ্জসহ ইসফাহানে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক সাইটও রয়েছে।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) ভোরে শহরটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইসরায়েল। এর ফলে তেহরান ও ইসফাহানসহ বেশ কিছু শহরে বিমানের ফ্লাইট বাতিল করা হয়। তবে বেশ কয়েকটি প্রদেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ‘কিছু ছোট ড্রোন’ ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে ইরান।

কিন্তু ইসফাহানেই কেন হামলা চালাল ইসরায়েল? এমন প্রশ্নের উত্তরে যুক্তরাজ্য এবং ন্যাটোর পারমাণবিক বাহিনীর সাবেক কমান্ডার হামিশ ডি ব্রেটন গর্ডন বলছেন, শহরটির (ইসফাহান) আশপাশে অনেকগুলো সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সেগুলোরই একটি ছিল লক্ষ্যবস্তু। খবর বিবিসির।

তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি  ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে হামলাস্থল তার কাছে ছিল। সুতরাং এটা তাদের জন্য একটা ঝাঁকুনি। হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, মূলত সামর্থ্য এবং লক্ষ্য সম্পর্কে জানান দেওয়ার চেষ্টা করেছে ইসরায়েল।

তার দাবি, ইরান ইসরায়েলের দিকে তিন শতাধিক মিসাইল ছুড়েছে, যার প্রায় সবগুলোই ভূপাতিত হয়। অপরদিকে ইসরায়েল ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে ছুড়েছে মাত্র একটি বা দুটি ক্ষেপণাস্ত্র, যা প্রতিরক্ষা ভেদ করে আঘাত হেনেছে এবং ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রথাগত সামরিক সক্ষমতার বিচারে ইরানের চেয়ে এগিয়ে আছে ইসরায়েল। সে জন্যই তেহরান প্রক্সি ওয়্যারে (ছায়াযুদ্ধ) বেশি আগ্রহী এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ এড়িয়ে চলে। কারণ তারা জানে নিদারুণ পরাজয় হবে তাদের।

ডি ব্রেটন গর্ডন বলেন, তারা (ইরান) স্বীকার করতে চাইবে না কোনো ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের ‘পুরনো’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করেছে এবং লক্ষ্যে আঘাত হেনেছে।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত