বুধবার, ২৯ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

বগুড়ায় বেড়েছে গরমের রোগী, বেশি আক্রান্ত শিশুরা 

আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৫১ পিএম

বৈশাখের শুরু থেকেই বগুড়ায় তীব্র তাপদাহে পুড়ছে জনজীবন।  টানা কয়েকদিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া শ্রমজীবীরা। আজ শনিবার বেলা ৩টায় জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গতকাল ছিল ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড। তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে, তবে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ আলম।
তীব্র গরমে ছায়াযুক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে শরীরকে ঠান্ডা করার চেষ্টা করছেন মানুষরা। শহরে ভ্রাম্যমাণ শরবতের দোকানেও ভিড় জমিয়ে তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন অনেকে। তীব্র গরমে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।
 
এদিকে হাসপাতালগুলোতেও রোগী বেড়েছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধের সংখ্যা বেশি। স্বর্দি-জ্বর ও নিউমোনিয়াসহ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। বহিঃবিভাগেও রোগী বেড়েছে বলে জানা গেছে। ঈদের পর থেকেই বগুড়া সরকারী মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী বেড়েছে। বহিঃবিভাগে রোগী সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে। ভর্তি রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে শনিবার ১৮ জন রোগী ভর্তি ছিল, পুরুষ ওয়ার্ডেও ১৫ জন রোগী রয়েছে। 

বগুড়া শজিমেক হাসপাতালের উপ পরিচালক ডা. ওয়াদুদ জানান, ঈদের পর থেকেই হাসপাতালে বহিঃবিভাগে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে।

বগুড়ার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আরএমও ডা. শফিক আমিন কাজল বলেন, এই তীব্র গরমে জরুরী প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হওয়াই ভালো। অতি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে ছাতা ব্যবহারসহ ছায়াযুক্ত স্থানে থাকতে হবে। বেশি করে পানি পান করাসহ খাবার বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি শিশু ও বয়স্কদের বিশেষ যত্ন নেয়ার আহবান জানান।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত