নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আলমগীর হোসেন বলেছেন, আমরা একটা সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। উপজেলা নির্বাচনগুলো যেন শান্তিপূর্ণ হতে পারে সেজন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আমাদের প্রশাসন এবং অন্যান্য বিভাগ ব্যবস্থা নিয়েছে।
রবিবার (২১ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে জেলার রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, কোনো অপশক্তি কোনো অন্যায়ের কাছে যেন আমরা মাথা নত না করি।
নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের ব্যাপারে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচনে যে ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবারও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে কে কার আত্মীয়, কে কার আত্মীয় নয় এটা বিবেচ্য বিষয় নয়। বিবেচ্য বিষয় হলো উনি প্রার্থী কিনা, আর প্রার্থী হলে উনার যে সকল আইনগত অধিকার আছে সেগুলো সমান পাবে, যেগুলো করার অধিকার নেই যারই আত্মীয় হোক না কেন তার বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। ইতিমধ্যে আপনারা দেখেছেন যারা এ ধরনের কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের যারা কর্মকর্তা আছেন তারা ব্যবস্থা নিয়েছেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহমুদুল হকের সভাপতিত্বে সভায় জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, র্যাবের অদিনায়ক তানভীর পাশাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বলা হয়, আগামী ৮ মে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পাঁচ প্রার্থী, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চার প্রার্থী এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের আরএমও