বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে ‘কুলাঙ্গার’ ‘অনভিজ্ঞ’ ‘বালক নেতা’ ও ‘নৈতিক স্খলনজনিত’ অপরাধী বলে আখ্যায়িত করেছেন একই দলের যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
বিএনপির আইনজীবী ফোরাম থেকে অব্যাহতি পাওয়া খোকন বলেছেন, ‘আমি ১৮ বছর বয়স থেকে বিএনপি করি। আমি শহীদ জিয়ার বিএনপিতে আছি, বিএনপিতে থাকব। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামেও থাকব।’
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট পরিস্থিতি উল্লেখ করে গত ২৭ মার্চ ফোরামের সভাপতি ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী এবং ফোরামের মহাসচিব ও দলের আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে খোকনসহ নির্বাচনে জয়ী ফোরামের চারজনকে (সদস্যপদে তিনজন) দায়িত্ব গ্রহণে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় এবং এবং ফোরামের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বিষোদগার ও অবমাননাকর বক্তব্যের অভিযোগে গত শনিবার খোকনকে ফোরামের সিনিয়র সহাসভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া দেওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের দক্ষিণ হলে সংবাদ সম্মেলনে করে প্রতিক্রিয়া জানান খোকন।
তিনি বলেন, ‘আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে নির্বাচনে আমাদের প্যানেল ঘোষণা করেছেন। উনি কি আমাদের ভোট গণনায় না যেতে বলেছেন? উনি তো আমাদের দায়িত্ব না নিতে বলেননি। এই বালক কায়সার কামাল আমাকে অব্যাহতি দেওয়ার কে? তিনি নিজে তো আইনজীবী ফোরামের রানীতি করেননি। কার সঙ্গে আতাত করে আওয়ামী লীগকে সব পদ দিতে চেয়েছিলেন। অনভিজ্ঞ বালকের এই কাজ।’
তিনি বলেন, ‘সে একজন কুলাঙ্গার। কেন তাকে কুলাঙ্গার বললাম, আমার সহ্য ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। সে একজন নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধী। নৈতিক স্খলনজনিত কারণে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল। তিনি জেলেও গিয়েছিলেন। আর অনৈতিক কাজে জড়াবেন না বলে মুচলেকা দিয়ে জামিন নিয়েছিলেন।’
ফোরামের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে খোকন বলেন, যারা শহীদ জিয়াকে বিশ্বাস করেন, যারা তারেক রহমানকে শ্রদ্ধা করেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে আছেন তাদের আহ্বান জানাই এই কুলাঙ্গার সরকারি এজেন্টদের দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে।
নেত্রকোণায় শিশু ধর্ষণ, মামলা নেয়নি পুলিশ
পাঁচ শিল্পীকে নিয়ে নির্ঝরের ‘তাল বেতালের শহরে’