কভিড টিকা কোভিশিল্ডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের আদালতে স্বীকার করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা অ্যাস্ট্রাজেনেকা। এই পরিস্থিতিতে ২০২১ সালে ২০ বছর বয়সে প্রয়াত এক তরুণীর বাবা আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করতে। তার দাবি, কোভিশিল্ডই প্রাণ কেড়েছে তার মেয়ের।
কোভিশিল্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে শীর্ষ আদালতে। এবার সামনে এলো প্রয়াত তরুণী করুণ্যার বিষয়টি। তার বাবা ভেনুগোপালন গোবিন্দন সোশ্যালে এক পোস্টে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও কোভিশিল্ডের নির্মাতা সিরাম ইনস্টিটিউটের বিরুদ্ধে।
তিনি দাবি করেছেন, ওই টিকা ব্যবহারের পর রক্তজমাট বেঁধে মৃত্যুর ঘটনায় যখন ইউরোপের ১৫টি দেশে তার ব্যবহার বন্ধ হলো, এরপর সিরাম ইনস্টিটিউটের উচিত ছিল টিকা সরবরাহ বন্ধ রাখা। ইতিমধ্যেই বিচার চেয়ে বহু আদালতে গেলেও কোনো শুনানিই হয়নি বলেই অভিযোগ তার।
অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কথা স্বীকার করে নেওয়ার ঘটনায় তিনি লেখেন ‘এরা স্বীকার করল তবে অনেক দেরিতে। ততদিনে বহু মানুষ অকালে প্রাণ হারিয়েছেন।’
ব্রিটেনের অ্যাস্ট্রাজেনেকার ওষুধ ভারতে তৈরির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল পুনের সিরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়াকে (এসআইআই)। অতিমারির সময়ে দেশের বেশিরভাগ মানুষই নিয়েছিলেন কোভিশিল্ডের টিকা। ফলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি রয়েছে তাদেরও। এই পরিস্থিতিতে গত বুধবার সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন বিশাল তিওয়ারি নামে এক আইনজীবী। সব মিলিয়ে ব্রিটেনের পর কোভিশিল্ড নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ভারতে।
প্রজ্জ্বল ৪০০ নারীকে ধর্ষণ করে ভিডিও বানিয়েছেন: রাহুল গান্ধী