গত ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘আহারে জীবন’ সিনেমা ফ্লপ বানানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন নির্মাতা ছটকু আহমেদ। সিনেমাটার নির্মাতা অভিযোগ করে বলেন, ছবিটি ভালো ছিল কিন্তু ছবিটি ফ্লপ বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে মোটা অংকের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে সিনেমা সংশ্লিষ্টরা। তবে ছটকু আহমেদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। তারা বলেন, দর্শক টানতে না পারায় ছবিটি নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
আজ শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছটকু আহমেদ বলেন, আহারে জীবন ছবি নিয়ে কিছু বলার ছিল না। কিন্তু কাল আমার ডিস্ট্রিবিউটর অফিসে গিয়ে এক দারুণ সত্যের মুখোমুখি হলাম। স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ ঈদের আগের দিন অনলাইনে প্রচার করল বঙ্গবন্ধু মিলিটারি মিউজিয়ামে ঈদের দিন থেকে ১৮ এপ্রিল সকাল ১১টায় ও বিকাল ৪টা ৩৫, আহারে জীবন ছবি চলবে। অথচ ছবিটি একদিনও একটা শো তারা চালায়নি।
তিনি বলেন, আমি জানতে চাওয়ায় এক ভদ্রমহিলা জানায় ঈদের দিন ও পরদিন মিউজিয়মের সিনেপ্লেক্স বন্ধ থাকবে। তারপর দিন ইউটিউবারদের নিউজে দেখলাম আহারে জীবন ছবি সিনেপ্লেক্স থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে ছবি একদিন একটা শোও সিনেপ্লেক্সে চালালো না সে ছবি সিনেপ্লেক্স থেকে কি করে নামিয়ে দেওয়া হয়?
ছটকু আহমেদের বলেন, সেন্সার বোর্ডের বিজ্ঞ সদস্যরা আহারে জীবন ছবির প্রশংসা করেছে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার কাজী হায়াত ছবি দেখে বলেছে, অনুদানের ছবি এত সুন্দর করে, এত খরচ করে কাউকে বানাতে দেখেনি। সেই ছবিকে একটা দর্শককেও দেখতে না দিয়ে সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ কি করে নামিয়ে দেয়? কি ধরনের ভদ্রতা? সুপারডুপার হিট বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না, অশিক্ষিত ছবিরও তিন চারদিন হলে দর্শক ছিল না কিন্তু পরে যখন রিপোর্ট বের হয় তখন মেগা হিট হয়। অথচ আহারে জীবন ছবিকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
ফ্লপ বানানোর জন্য স্টার সিনেপ্লেক্সেকে দোষারোপ করেন এ নির্মাতা। তিনি বলেন, যমুনা ব্লকবাস্টারে ঈদের দিন দুপুরে যেখানে পরিবার ঘর থেকে ছবি দেখতে বের হবার কথা নয় সেইদিনও সাড়ে পাঁচ শ টাকায় টিকিট কেটে লোকজন ছবি দেখে চোখের কান্না নিয়ে হল থেকে বেড়িয়ে বলেছে দারুণ ছবি। সাভার বিলাস সিনেমা হলে, পাবনা রূপকথা সিনেমা হলে আহারে জীবন চলেছে এবং সবখানেই রিপোর্ট আশাতিরিক্ত ভালো অথচ স্টার সিনেপ্লেক্স এক শো ছবি না চালিয়ে আহারে জীবন ছবিকে ফ্লপ বানিয়ে দিল। ফলে আর্থিক ক্ষতির সন্মক্ষীণ করা হয়েছে আহারে জীবন ছবিকে।
অভিযোগের বিষয়ে স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যৈষ্ঠ ব্যবস্থাপক মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ২০ বছর ধরে স্টার সিনেপ্লেক্স একটা শ্রেণির দর্শক ধরে রেখেছে। ভালো ছবি হলে আমার সিনেমা চালাব না কেন? ঈদে আমরা কয়েকটি ছবিতে ভরপুর দর্শক দেখেছি। সেগুলো তো নামিয়ে দেইনি। কিন্তু আপনার ছবিতে দর্শক না থাকে তাহলে সে সিনেমা চালিয়ে কি লাভ। এখানে আমাদের বড় একটা খরচ আছে। ছবি না চললে খরচটা আমাদের উঠবে কিভাবে। সেই জায়গা থেকে সিনেমাটি নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।’
কথা বলার সময় বিমান থেকে পড়লেন কর্মী, ভিডিও ভাইরাল
আ. লীগ থেকে উপাধি না পাওয়ায় নির্মলেন্দু গুণের আক্ষেপ
ইসরায়েলে ৭৫ রকেট ছুড়ল হিজবুল্লাহ