পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত হয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেইন আমিরাব্দুল্লাহিয়ানসহ দেশটির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে তাদের মৃত্যু নিয়ে শুরু থেকেই মুখে কুলুপ এটে রয়েছেন পশ্চিমা নেতারা।
রাইসির মৃত্যু নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানালেও অবশেষে মুখ খুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। রাইসি ও তার সঙ্গীদের মৃত্যুতে সমবেদনা জানিয়েছে দেশটি।
সোমবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
তেহরান ওয়াশিংটনকে দোষারোপ করতে পারে সে বিষয়ে তিনি উদ্বিগ্ন কিনা জানতে চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন জানান, রাইসির হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো হাত নেই।
এছাড়া এ দুর্ঘটনার কি কারণে হয়েছে সে বিষয়েও কোন কিছু জানা নেই বলে জানান তিনি।
এছাড়া এই দুর্ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে বলে যে কোনো ধরনের উদ্বেগকে প্রত্যাখ্যান করেন অস্টিন। তিনি বলেন, "আমি এই মুহুর্তে কোনও বিস্তৃত, আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতার প্রভাব দেখছি না।‘
পশ্চিমা দেশগুলোর সাথে ইরানের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে ক্রমবর্ধমান মতবিরোধের সময়ে এই দুর্ঘটনা ঘটল। তেহরানের বিতর্কিত পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউক্রেনের যুদ্ধে রাশিয়াকে সমর্থন ও সামরিক সম্পর্ক গভীর হওয়ায় আন্তর্জাতিক চাপে মুখে রয়েছেন ইরানের ধর্মীয় শাসকরা।
আইসিসি কি নেতানিয়াহু এবং সিনাওয়ারকে গ্রেপ্তার করতে পারবে?