সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ঢাবি উপাচার্য

বিশ্বের উষ্ণতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার এখন অভিসম্ভাবি

আপডেট : ২২ মে ২০২৪, ০৬:১৫ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেছেন, বিশ্বের উষ্ণতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার এখন অভিসম্ভাবি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অতি সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেকটি হলে আমরা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট ক্লাব তৈরি করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আমরা এগুলোকে চালু করবো। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ময়লাগুলোকে সমুন্নিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যেন পুনরায় ব্যবহার করতে পারি, এগুলোকে কাজে লাগাতে পারি সেই ব্যবস্থা করবো।  

বুধবার (২২ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত দু'দিনব্যাপী ২৪তম জাতীয় রিনিউয়েবল এনার্জি সম্মেলন ও গ্রিন এক্সপোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তেব্যে তিনি একথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শক্তি ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং গ্রিনটেক ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়কারী মো. আক্তার হোসেন, ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের সিইও মো. আলমগীর মোরশেদ, বাংলাদেশ সোলার রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইঞ্জি. মো. নুরুল আক্তার এবং টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মুনিরা সুলতানা এনডিসি বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ও বিআইবিএমের ফ্যাকাল্টি মেম্বার খোন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শক্তি ইনস্টিটিউট-এর সহযোগী অধ্যাপক ড. এস এম নাসিফ শামস। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন গ্রিনটেক ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন,  নবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশকে সব ধরনের দূষণ থেকে মুক্ত রাখতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের করতে হবে। গ্রিন এনার্জি উৎপাদনের ক্ষেত্রে সফলতা অর্জনের জন্য সরকারি-বেসরকারী অংশীদারিত্ব আরও বৃদ্ধি করতে হবে। পরিবেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালনের জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের মতো ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের দুর্যোগ ঝুঁকি কমাতে আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য উন্নত বিশ্বের নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণের জন্য মূলত, উন্নত দেশসমূহই দায়ী। তাই বৈশ্বিক পরিবেশ রক্ষায় তাদের মূখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০৪১ সালের মধ্যে দেশে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এ লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য তিনি পেশাজীবী ও গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি জ্বালানি নীতি আধুনিকায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত