হাজারও মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো

আপডেট : ২৪ মে ২০২৪, ০৩:৫৫ পিএম

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ১ নম্বর বাইশগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় এই সাঁকো দিয়েই যাতায়াত করতে হয় গ্রামবাসীর। শুকনো মৌসুমে এ বাইশগাঁও ইউপির দূর্গাপুর গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ডাকাতিয়া নদীর এমন চিত্র নিত্যদিনের। স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত সাঁকোটি প্রতি বছর মেরামত করেন নিজেরাই। তবে এর একটি স্থায়ী সমাধান চান তারা।

জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৬ আগস্ট নিকার ৯০তম বৈঠকে বৃহত্তর লাকসামের দক্ষিনাঞ্চলের ১১টি ইউনিয়নের সমম্বয়ে মনোহরগঞ্জ প্রশাসনিক উপজেলা গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ২০০৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এই উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলার মধ্যে মনোহরগঞ্জ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা। যার বেশির ভাগ অংশেই বয়ে গেছে ঐতিহ্য ডাকাতিয়া নদী। আর এই নদীর দুই পাশে বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে উঠেছে অংশ গ্রাম। এ বাইশগাঁও ইউপির দূর্গাপুর গ্রামের মানুষের ডাকাতিয়া নদী পারাপারের একমাত্র অবলম্বন বাঁশের সাঁকো। সাঁকোটি সরিয়ে একটি ব্রিজ নির্মাণ হলে দুর্ভোগ কমবে এমনটাই আশা স্থানীয়দের।

এয়াকুব, মাসুদ ও আব্দুল মালেক বলেন, দূর্গাপুর গ্রামের বাঁশের সাঁকোটির পূর্ব প্রান্ত জুড়ে রয়েছে প্রায় ৩০০ বিঘা ফসলি জমি। যা এ গ্রামের মানুষের জীবিকা নির্বাহের চাবিকাঠি। আর এই জমিগুলো চাষাবাদ করতে দৈনিক ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার হতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। সাঁকোটি সরিয়ে একটি ব্রিজ নির্মিণের দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে বাইশগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, এ সমস্যা সামাধানের ব্যপারে বাইশগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে এলজিইডিতে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। বাঁশের সাঁকোটি সরিয়ে একটি ব্রিজ নির্মিত হলে এই দুই পাড়ের মানুষের দুর্ভোগ কমবে এবং কৃষি আবাদি জমির এবং কৃষকদের উপকার হবে বলে আশাবাদী তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজালা রানী চাকমা দেশ রূপান্তরকে বলেন, খোঁজ খবর নিয়ে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে একটি ব্রিজের ব্যবস্থা করা হবে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত