শনিবার, ২২ জুন ২০২৪, ৮ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

ঘূর্ণিঝড় রিমাল

বাগেরহাটে ২ শতাধিক ঘরবাড়ি প্লাবিত

আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ০৪:০১ পিএম

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের সকল নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। রবিবার (২৬ মে) দুপুরের জোয়ারে নদীর পানি বাড়ার ফলে তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্ন অঞ্চল ও লোকালয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়েছে।

জেলার নদ-নদীর পানি সর্বোচ্চ পাঁচ ফুট পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ঘূর্ণিঝড় শুরুর আগেই রবিবার দুপুরের অতি জোয়ার জেলা সদর, মোড়েলগঞ্জ, শরণখোলা, মোংলা ও রামপাল উপজেলার নদীর তীরবর্তী এলাকার বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে।

বাগেরহাট সদরের দাড়াটানা সেতু সংলগ্ন লুইস বিশ্বাস ফরাজী বলেন, শহরের দড়াটানা সেতুর পাশে মারিয়া পল্লী ও পাশের দড়াটানা নদীর তীরবর্তী এই এলাকায় দেড় শতাধিক পরিবারের বসবাস। দুপুরের জোয়ারে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুক  ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে।

বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান মোহাম্মদ আল-বিরুনী বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাগেরহাটের প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি রবিবার দুপুরে বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সবচেয়ে বেশী পানি বেড়েছে জেলার মোংলা উপজেলার পশুর নদে। মোংলা বন্দরের এই নদে দুপুরে বিপদ সীমার ৫ ফুট উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। আর বলেশ্বর ও ভৈরব নদে বিপদ সীমার দুই থেকে তিন ফুট উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

বাগেরহাটের জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান বলেন, উপকুলীয় বাগেরহাটের ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে স্থানীয় লোকজন আসতে শুরু করেছে। রবিবার  দুপুর থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা শরণখোলা, মোংলা, মোরেলগঞ্জ ও রামপাল উপজেলার নদীতীরবর্তি এলাকার বাসিন্দারা এসে আশ্রয় নিচ্ছে। তবে এসব কেন্দ্রে এখন পর্যন্ত কত মানুষ আশ্রয় নিয়েছে এখনই বলতে পারছি না।
জেলায় ৩৫৯টি ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র খুলেছে প্রশাসন।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত