নড়াইল সদর এক গৃহবধূকে প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে পালাক্রমে ধর্ষণের পর কাঁচি দিয়ে জবাই করে হত্যার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান গ্রেপ্তারের পর আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যকান্ডের বর্ণনা দিয়েছেন।
নিহত গৃহবধূ সদর উপজেলার গোবরা গ্রামের ইমাম শফিকুল ইসলামের স্ত্রী ইতি বেগম। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মুল আসামি মো. মনিরুল ইসলাম ওরফে মনিকে (৪৬) এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলা ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, নিহতের স্বামী উপজেলার মোচড়া বায়তুল নূর জামে মসজিদের ইমামতি করেন। সে কারণে তিনি মসজিদের পাশের একটি রুমে থাকতেন। তার স্ত্রী মোছা. ইতি বেগম (৪২) একাই গ্রামের বসবাস করতেন। গত ১৯ এপ্রিল শফিকুলের সাথে তার স্ত্রীর সর্বশেষ কথা হয়। পরের দিন ২০ এপ্রিল ইতি বেগমকে খুঁজে পাওয়া যায়নি এবং ভাড়াটিয়া মনিরুলের ঘরে তালা লাগানো। এরপর থেকে মনিরুল নিরুদ্দেশ এবং ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। গত ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ঘরের তালা ভেঙে ঘরের মধ্যে চৌকির নিচে বস্তায় ইতি বেগমের গলাকাটা মৃতদেহ পাওয়া যায়। পাশে কৃষিকাজে ব্যবহৃত একটি কাঁচি পাওয়া যায়।
এঘটনায় ইতি বেগমের স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ভাড়াটিয়া মনিরুলসহ অজ্ঞাতনামা ১/২ জনকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
