ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার রামনগর কে এম সি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সংবাদ সংগ্রহকালে হামলার শিকার হয়েছেন দৈনিক ইত্তেফাকের ফেনী ডিজিটাল প্রতিনিধি ও স্থানীয় সাপ্তাহিক ফেনীর তালাশের বিশেষ প্রতিনিধি এম এ আকাশ। এ সময় আহত হন ক্যামেরা পারসন ইমন। তাদের বহনকারী গাড়ি নোহা মাইক্রোবাসটির সামনে-পেছনে কাঁচ ভাঙচুর করা হয়।
এম এ আকাশ জানান, কতিপয় যুবক একটি বুথে জাল ভোট দিচ্ছিল। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের প্রভাষক শুভাশীষ দাসকে বলি- ‘এখানে বহিরাগত যুবকরা জাল ভোট দিচ্ছে, আপনি এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেবেন কিনা?’ কর্মকর্তা বিষয়টি দেখেও না দেখার ভান করে কোনো উত্তর না দিয়ে এড়িয়ে গেলে কতিপয় দুর্বৃত্ত বিষয়টি লক্ষ্য করে। তারা আশপাশের ২০ থেকে ৩০ জন যুবককে একত্র করে এগিয়ে আসে। তাদের মাঝে ৫ থেকে ৬ জনের হাতে ছিল লাঠি। কারো কারো হাতে ইটও দেখা যায়।
তিনি বলেন, এ সময় দুর্বৃত্তরা আমার বুকে, মাথায় কিল ঘুষি মারতে থাকে। গাড়ির সামনে-পেছনে কাঁচ ভাঙচুর করে এবং ক্যামেরার লেন্স ভাঙচুর করে। বাধা দিতে গেলে ইমনকেও মারধর করা হয়।
ফেনী প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান দারা বলেন, বিনা উসকানিতে এভাবে একজন গণমাধ্যমকর্মীর ওপর হামলা এবং গাড়ি ভাঙচুর খুবই নিন্দনীয় ঘটনা। এ বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাদেরও দায় রয়েছে। বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
রয়েসের কাছে ডর্টমুন্ড মানে আমার জীবনের সবকিছু
দুর্যোগের পরও ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক, বললেন সেতুমন্ত্রী