ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন ১ জুন 

আপডেট : ৩০ মে ২০২৪, ০৩:০৪ পিএম

আগামী ১ জুন (শনিবার) জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন। এদিন ৬-৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্য ভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইনের তথ্য তুলে ধরা হয়। এ সময় ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য শিশুদের ভরাপেটে কেন্দ্রে নিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬-৫৯ মাস বয়সী প্রায় ২ কোটি ২২ লক্ষ শিশুকে দিনব্যাপী এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২৭ লক্ষ ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ। প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার কেন্দ্রে প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী ও প্রায় ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী এই ক্যাপসুল খাওয়াবেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যখাতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যার ফলে বাংলাদেশে অপুষ্টির হার কমেছে এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিশ্ব নেতৃত্বের পুষ্টি ফোরামের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের পুষ্টি পরিস্থিতি উন্নয়নে নেতৃত্ব দিচ্ছে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, দেশ স্বাধীনের পর অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের মাঝে রাতকানা রোগের হার ৪.১০ শতাংশ ছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করে শিশুদের ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো শুরু করেন। পরবর্তীতে ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো অব্যাহত রাখার ফলে বর্তমানে ভিটামিন 'এ' এর অভাবজনিত রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নাই বললেই চলে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিটিআরসি'র সাহায্যে সারা দেশব্যাপী সকল মোবাইল অপারেটর এর মধ্যমে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের তথ্য সম্মলিত খুদে বার্তা পাঠানো হয়েছে। দেশের সকল শিশু বিশেষজ্ঞগণকে (সরকারি ও বেসরকারি) তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।

সম্মেলনে জানানো হয়, ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে ও সকল ধরনের মৃত্যুর হার ২৪% হ্রাস করে। এ ছাড়া হাম, ডায়রিয়া এবং নিউমোনিয়ার কারণে মৃত্যু উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, কাঁচি দিয়ে ভিটামিন এ ক্যাপসুলের মুখ কেটে এর ভেতরে থাকা সবটুকু তরল ওষুধ চিপে খাওয়ানো হবে। জোর করে বা কান্নারত অবস্থায় ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত