২০২৩-২৪ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগের মোট প্রাইজমানিই ছিল ২১০ কোটি ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকার বেশি। চ্যাম্পিয়নের জন্য পুরস্কার ২ কোটি ইউরো আর রানার্সআপ দলের জন্য ১ কোটি ৫৫ লাখ ইউরো।
এছাড়াও নানা পর্যায়ে একেকটা ম্যাচ জিতে পাওয়া যায় ২৮ লাখ ইউরো আর ড্র করলে ৯ লাখ ৩০ হাজার ইউরো।
উয়েফার পুরস্কারের সঙ্গে জড়িত ‘মার্কেট পুল’। গ্রুপ পর্বের অবস্থান, জয়ের বোনাস, সম্প্রচারস্বত্বের ভাগাভাগি আর এবং উয়েফার টুর্নামেন্টের আগের ফল থেকে পাওয়া অর্থ। এজন্য বড় ক্লাব ও ছোট ক্লাবগুলোর আয়ে ব্যবধান হয় বেশ।
চ্যাম্পিয়ন হয়ে সব মিলিয়ে রিয়ালের আয়ের অঙ্ক ১১ কোটি ৮৫ লাখ ইউরো। ডর্টমুন্ড চ্যাম্পিয়ন হলে পেত ১০ কোটি ২১ লাখ ইউরো। সেটা হয়নি। তবু রানার্সআপ হয়ে চুক্তির এক ধারার কারণে বেশি অর্থ পেয়েছে ডর্টমুন্ড। আর তাদের বাড়তি অর্থ এনে দিয়েছেন জুড বেলিংহ্যাম।
আপনি ঠিকই পড়ছেন। বেলিংহ্যাম এই মৌসুমের ডর্টমুন্ড ছেড়ে নাম লেখান রিয়ালে। তাকে দলে ভেড়াতে রিয়ালকে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি দিতে হয়েছিল। এছাড়া নানা অঙ্কের বোনাসের পাশাপাশি চুক্তিতে একটা ধারা ছিল, বেলিংহ্যাম রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলে ডর্টমুন্ডকে দিতে হবে ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো বোনাস।
তাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে উয়েফার কাছ থেকে রিয়াল পেল ২ কোটি ইউরো। সেখানে বেলিংহামের চুক্তির সৌজন্যে রানার্সআপ হয়ে শুধু রিয়ালের কাছ থেকেই তারা পেল ২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো!
বেলিংহ্যাম যদি চ্যাম্পিয়নস লিগ মৌসুমসেরা দলে জায়গা করে নেন তাহলে আরও ২০ লাখ ইউরো পাবে ডর্টমুন্ড।
