প্রেসক্রিপশনে ওষুধের জেনেরিক নাম বিতর্ক 

আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪, ০২:১৯ পিএম

কয়দিন যাবৎ সামাজিক মাধ্যমে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের নাম কীভাবে লিপিবদ্ধ করা উচিত এ নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে। বর্তমানে আমাদের দেশে চিকিৎসকগণ তাদের ব্যবস্থাপত্রে ওষুধের নাম লিপিবদ্ধ করার সময় ওষুধ কোম্পানি যে নামে ওষুধটি বাজারজাত করে থাকে সে নামেই লিপিবদ্ধ করে থাকেন। এটিকে বলা হয় ব্র্যান্ড নাম। ওষুধের আসল নামকে বলা হয় জেনেরিক নাম। একটি উদাহরণ দিলে বিষয়টি পরিষ্কার হবে। যেমন প্যারাসিটামল হলো একটি ব্যথানাশক ওষুধের নাম। কোম্পানি যখন এটি বাজারজাত করে তখন কোন কোম্পানির এটির নাম দেয় নাপা আবার কোন কোম্পানি এটির নাম দেয় এইস। এখানে প্যারাসিটামল হলো জেনেরিক নাম এবং নাপা বা এইস হলো ব্র্যান্ড। চিকিৎসক প্রেসক্রিপশনে জেনেরিক নাম বা ব্র্যান্ড যাই লিখুক তাতে কিবা আসে যায়? রোগ ভালো হয় কিনা সেটিই আসল কথা। তবে কিছুটা নিশ্চয় আসে যায় না হলে এ নিয়ে বিতর্ক হবে কেন।জেনেরিক ও ব্র্যান্ড নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করলে বিতর্কের গভীরে যাওয়া সহজ হবে।

একজন চিকিৎসক একটি ওষুধ প্রেসক্রাইভ করবেন তার রোগীর জন্য। উদ্দেশ্য রোগ নিরাময়। তবে ওষুধটি অবশ্যই রোগীর ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে হতে হবে। কোম্পানি ওষুধটি বাজারজাত করার সময় গবেষণা ব্যয়, প্রোডাকশন খরচ ও বিতরণ খরচের সঙ্গে মুনাফা যোগ করে তবে বাজার মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। যখন একটি কোম্পানি তার নিজস্ব গবেষণালব্ধ ওষুধটি বাজারজাত করেন তখন এর সম্পূর্ণ মালিকানা তার একান্তই নিজস্ব। এটি হলো পেটেন্ট এবং যে নামে ওষুধটি বাজারজাত করা হয়েছে সেটি হলো কোম্পানির ব্র্যান্ড। প্রতিটি পেটেন্ট এর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ থাকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি ১৫-২০ বছরের মত। পেটেন্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে মূল কোম্পানি ছাড়া অন্য কেউ নিজ থেকে এই ওষুধটি প্রস্তুত বা বিপণন করতে পারবে না। প্রস্তুত করতে বা বিপণন করতে চাইলে পেটেন্ট ক্রয় করতে হবে অর্থাৎ অগ্রিম মূল্য পরিশোধ করে মূল কোম্পানির কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে শর্তসাপেক্ষে উক্ত ওষুধটি প্রস্তুত ও বিপণন করতে পারবে। এটিও ব্র্যান্ড । তবে পেটেন্ট এর মেয়াদ শেষ হলে মূল কোম্পানির অনুমতি ছাড়াই যেকোনো ওষুধ কোম্পানি এটি নিজের মত করে প্রস্তুত ও বিপণন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে পেটেন্ট ক্রয় করার প্রয়োজন নেই। এটিই জেনেরিক মেডিসিন। এ ক্ষেত্রে যেহেতু তার গবেষণা খরচ নাই, পেটেন্ট ক্রয়বাবদ খরচ নাই তাই প্রোডাকশন খরচ কমে আসবে। 

শর্ত হলো এটি বায়ো ইকুবেলেন্ট হতে হবে। প্রতিটি ওষুধ দুই ধরনের উপাদানের সংমিশ্রণে প্রস্তুত করা হয়। একটি হলো কার্যকরী উপাদান( active ingredient) যেটি আসল উপাদান যা রোগ নিরাময় করে। দ্বিতীয়টি হলো নিষ্ক্রিয় উপাদান (inactive ingredient)। নিষ্ক্রিয় উপাদানের কাজ হলো অ্যাকটিভ ইনগ্রেডিয়েন্টকে ধারণ করা, এর গুণাবলি দীর্ঘদিন অটুট রাখতে সাহায্য করা, এটি যাতে সহজে সেবন করা যায় বা সহজে হজম হয় তা নিশ্চিত করা। এর জন্য সক্রিয় উপাদানের সঙ্গে কিছু অতিরিক্ত সাবস্টেন্স, ফ্লেবারিং এজেন্ট, প্রিজার্বেটিভ ইত্যাদি যোগ করা হয়। ক্যাপসুলের কভারটি নিষ্ক্রিয় উপাদানের অংশ। জেনেরিক ওষুধে কোন কোম্পানি সক্রিয় উপাদান শতভাগ দিতে বাধ্য হলেও আনুষঙ্গিক বস্তু বা প্রিজার্বেটিভ এর ব্যাপারে কিছুটা স্বাধীনতা থাকে। ফলে কার্যকারিতা এক হলেও ব্র্যান্ড ওষুধ এবং জেনেরিক ওষুধে কিছুটা ভিন্নতা থাকাটাই স্বাভাবিক। 

জেনেরিক ওষুধে মূল্যের সাশ্রয়ী হওয়ার বেশ সুযোগ আছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠী যাতে কম খরচে ওষুধ পেতে পারে তার জন্য এটি একটি সুযোগ। এখানে জেনেরিক ওষুধ মানেই সাশ্রয়ী। ব্র্যান্ড মানেই অতিরিক্ত খরচ। আমদের দেশ এখনো এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবে আছে। ফলে পৃথিবীর যে কোন ব্র্যান্ড এর ওষুধ প্রস্তুত ও বিপণন করতে পেটেন্ট ক্রয় করতে হয় না। মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে পরিগণিত হলে এ সুবিধা থাকবে না। ফলে এখানে প্রতিটি ওষুধ ব্র্যান্ড নামে থাকলেও মূল্য জেনেরিকের মতই । উন্নত দেশে ব্র্যান্ড নামে যেকোনো প্রোডাক্টের বিক্রয়মূল্য জেনেরিক প্রোডাক্টের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে সেখানে ব্র্যান্ড কোনো প্রোডাক্ট পেতে হলে ইনস্যুরেন্স কভার থাকলেও অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হয়।জেনেরিক নাম আর ব্র্যান্ড নাম যেকোনো ব্যবহারে তেমন একটি অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। অনেক দেশের মত আমাদের দেশে চিকিৎসকগণ ব্যবস্থাপত্রে ব্র্যান্ড ব্যবহার করেন। আবার অনেক দেশ বা কোন কোন ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালগুলোতে কেবল জেনেরিক নাম ব্যবহার করা হয়। দুটি সিস্টেমেই ব্যবস্থাপত্র দেওয়ার প্রচলন আছে।     
 
কেউ কেউ মনে করেন ব্র্যান্ড নাম ব্যবহারের কারণে দেশে ওষুধ কোম্পানিগুলো তাদের ব্র্যান্ডকে জনপ্রিয় করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হচ্ছেন। এতে মুনাফার একটি বড় অংশ প্রোমোশনে ব্যয় করে ওষুধ বিপণনে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করে থাকেন। অনেকেই মনে করেন প্রোমোশন করতে যেয়ে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার বাইরেও তারা চিকিৎসককে উপঢৌকন, ব্যক্তিগত উৎকোচ প্রদানের মত গর্হিত কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ছেন। কোন কোন চিকিৎসক ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার বিনিময়ে কোম্পানির কোন কোন প্রোডাক্ট বা মেডিসিনকে প্রোমোট করে থাকেন। প্রোমোশন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে যাচ্ছে। মূলত এখান থেকেই বিতর্কের শুরু। 

দেশে বর্তমানে ওষুধের বাজার মূল্য প্রায় চল্লিশ হাজার কোটি টাকা এবং প্রোমোশন ব্যয় প্রায় দশ হাজার কোটি টাক। বিষয়টি খুবই বিপজ্জনক। কারণ ২৫ শতাংশ প্রোমোশনে খরচ মানে এখানে প্রচুর বাহুল্য খরচ বিদ্যমান এবং এই খরচটি আসলে ওষুধের দামের সঙ্গে যুক্ত হবে। অর্থাৎ এই টাকাটা দিন শেষে রোগীর কাছ থেকে আদায় করা হবে।। কোম্পানিগুলো তাদের মার্কেট ধরে রাখতে চেষ্টা করবে এটিই স্বাভাবিক। বলার অপেক্ষা রাখে না ওষুধের বাজার নির্ধারণে অন্যতম নিয়ামক হচ্ছে চিকিৎসক। এখন চিকিৎসকগণ যদি কোম্পানির সঙ্গে যোগসাজশ করেন তবে চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে। যেমন চিকিৎসক অপ্রয়োজনীয় ওষুধ লিখে দিতে পারেন। আবার প্রয়োজনীয় ওষুধ লিখতে গিয়ে কোন বিশেষ কোম্পানির নিম্নমানের ওষুধ প্রেসক্রাইভ করে দিতে পারেন। অথবা সাশ্রয়ী মূল্যের ওষুধের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অধিকতর মূল্যমানের ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন বিশেষ কোন কোম্পানিকে সুবিধা দেওয়ার জন্য। এ ক্ষেত্রে রোগী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিছু ক্ষেত্রে যোগসাজশের বিষয়টি এখন ওপেন সিক্রেট। যোগসাজশের সূতিকাগার হলো স্পনসরশিপ। স্পনসরশিপের বিষয়টি একটি স্বীকৃত বিষয়। কোন বৈজ্ঞানিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কনফারেন্স, গবেষণা, কোন চ্যারিটি ইত্যাদি খাতে স্পনসর করতে দোষের কিছু নেই। তবে ব্যক্তিগত লাভালাভের জন্য স্পনসরশিপ অনৈতিক। ইদানীং অভিযোগ উঠছে অনেকে চিকিৎসক ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য আর্থিক অনুদান গ্রহণ করে থাকেন। অনেকটা চুক্তিবদ্ধ হওয়ার মত। বিষয়টি গ্রহণযোগ্য নয়।

এখন দেশে প্রচুর সোসাইটি এবং তার সঙ্গে এর শাখা প্রশাখা মিলে শত শত পেশাজীবী সংগঠন। সোসাইটিগুলোর বাইরেও অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা বৈজ্ঞানিক কর্মকাণ্ড সেমিনার সিম্পোজিয়াম ইত্যাদি আয়োজন করে থাকে। এসব ক্ষেত্রে ওষুধ কোম্পানিগুলোকে স্পনসর করতে হয়। এ সকল অধিবেশনে দেখা যায় প্রয়োজনীয় খরচের চেয়ে বাহুল্য খরচ কয়েক গুন। বিদেশি অনেক আন্তর্জাতিক কংগ্রেসে যোগদানের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি সেখানে রেজিস্ট্রেশনের সময় একদম স্বল্প মূল্যের হালকা ছোট একটি কাপড়ের অথবা চট জাতীয় ব্যাগ  দেওয়া হয় কাগজপত্র এবং বুকলেট ইত্যাদি বহন করার জন্য সেখানে আমাদের দেশে একটি জাতীয় সম্মেলন যেটি প্যারেন্ট বডি নয় অর্থাৎ অঙ্গ সংগঠন যার রেজিস্ট্রেশন কিট একটি ট্রাভেল ব্যাগ।  আবার কোন কোন সেমিনার সিম্পোজিয়াম বিয়ে বাড়িকেও হার মানায়। সংগঠনের সদস্য হয়তো ২০০। খাবারের আয়োজন ৫০০ জনের। সমিতির সদস্য সংখ্যা ১৫০০ অথচ ডিনারের আয়োজন ২৫০০ জনের তাও কোলায় না। এভাবেই একদিকে যোগসাজশ অন্যদিকে বাহুল্য খরচ মিলে দিশেহারা কোম্পানি। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এভাবেই একটি স্বনামধন্য ওষুধ কোম্পানির উচ্চপদস্থ একজন নির্বাহী তার অভিজ্ঞতার কথা জানালেন। মুনাফা না বাড়লেও প্রতি বৎসর প্রোমোশন খরচ বেড়েই যাচ্ছে।

এর শেষ কোথায়? প্রেসক্রিপশনে জেনেরিক নাম ব্যবহার বা জেনেরিক সিস্টেমে ওষুধ বিতরণ করেই কি এখান থেকে উদ্ধার পাওয়া যাবে?  বিদেশে জেনেরিক প্রোডাক্ট মানেই দামে সাশ্রয়ী সেটি আমাদের এখানে বহাল নেই। ফলে জেনেরিক নাম ব্যবহারে রোগীর জন্য কোন ধরনের প্রণোদনা বা সাশ্রয়ী হওয়ার এখানে কোন অবকাশ নেই। আমাদের প্রতিটি ওষুধের গায়ে ব্র্যান্ড নামের পাশাপাশি জেনেরিক নাম উল্লেখ থাকে। এমতাবস্থায় প্রেসক্রিপশনে কেবলই জেনেরিক নাম উল্লেখ করলে রোগী যখন ফার্মেসিতে যাবে তখন ফার্মেসি ঠিক করে দেবে কোন ব্র্যান্ড রোগীকে দেবে। যেহেতু চিকিৎসক ব্র্যান্ড উল্লেখ করবেন না তাই ফার্মেসির সুযোগ থাকবে যেকোনো ব্র্যান্ড রোগীর হাতে তুলে দেওয়ার। এখানে ফার্মেসি তার সর্বোচ্চ মুনাফা নিশ্চিত করতে চেষ্টা করবে। আবারও সেই যোগসাজশের প্রশ্ন উঠবে। অনেকেই যুক্তি দিচ্ছেন ওষুধ যদি বায়ো ইকুবেলেন্ট হয় তবে যেকোনো ব্র্যান্ড দিলে সমস্যা কোথায়? এটি সর্বজন বিদিত আমদের এখানে ওষুধের মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা খুবই অপ্রতুল। আমাদের এখানে যখন একটি কোম্পানি নতুন কোন ওষুধ বাজারে দিতে চায় তখন নিজ দায়িত্বে ল্যাব থেকে পরীক্ষা করিয়ে প্রমাণপত্র ওষুধ প্রশাসনে জমা দিয়ে অনুমতি নেয়। তার পর যুগ পেড়িয়ে গেলেও এই বায়ো ইকুইবেলেন্টের (bioequivalent) খোঁজ আর কেউ রাখে না। বাস্তবতা হলো ফার্মেসির সেল্ফে রক্ষিত অনেক  ওষুধের বায়ো ইকুবেলেন্ট নিয়ে সমস্যা আছে। এখন যদি কেউ বলে আমরা বায়ো ইকুবেলেন্ট নিশ্চিত করে দ্রুত জেনেরিক সিস্টেমে যাব । কাজটি সহজ নয়। আমদের ওষুধ প্রশাসনের বিদ্যমান সক্ষমতায় সারা দেশে কতগুলি নিবন্ধনহীন ওষুধের দোকান আছে, নিবন্ধনহীন ফার্মেসি কত শতাংশ ওষুধ বিপণন করে অথবা দেশের বিপণনকৃত ওষুধের কত শতাংশ চিকিৎসক প্রেসক্রাইব করেন আর চিকিৎসকের বাইরে প্যারামেডিকস বা ফার্মেসি থেকে কোন ধরনের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কত শতাংশ ওষুধ বিক্রি হয়ে থাকে তার যথাযথ তথ্য ওষুধ প্রশাসন দিতে পারবে না।       

এখান থেকে বের হয়ে আসার উপায় কি? চিকিৎসার স্বার্থে চিকিৎসক এবং ওষুধ কোম্পানিগুলোকে এখান থেকে অবশ্যই বের হয়ে আসতে হবে। প্রথমেই ওষুধ বিপণন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। ওষুধের সকল দোকান বা ফার্মেসিকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে এবং ফার্মেসির সংখ্যা সীমিত করতে হবে যাতে প্রতিটি ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্ট নিয়োগ করা যায়। নিবন্ধনহীন কেউ যেন প্রেসক্রিপশন বা ওষুধ বিক্রয় করতে না পারে তার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে।বাজারের ওষুধের বায়ো ইকুবেলেন্ট নিশ্চিতে ওষুধ প্রশাসনের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। স্পনসরশিপ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে। বাহুল্য খরচ স্পনসরশিপের আওতাবহির্ভূত করতে হবে। এ ব্যাপারে  চিকিৎসকদের সমিতিগুলোকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। ওষুধ কোম্পানির প্রোমোশন বাজেট সীমিত করতে হবে এবং এটিকে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্যে আনতে হবে। শেষ কথা হলো প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি বিদ্যমান রেখে কোন আয়োজনই সফলতার মুখ দেখবে না এ বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

লেখক: চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন এবং জনস্বাস্থ্যবিষয়ক লেখক 
  

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত