বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ কিনা জানা যাবে ৪ জুলাই

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৪, ০৬:০৬ পিএম

সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে (৯ম থেকে ১৩ গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে সরকারের জারিকৃত পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার রায় স্থগিতের আবেদনের ওপর শুনানি হবে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে। আগামী ৪ জুলাই এ বিষয়ে শুনানির জন্য ধার্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত।

আজ রবিবার (৯ জুন) চেম্বার আদালতের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এ তারিখ ধার্য করেন। ওই পরিপত্রের বৈধতা নিয়ে করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালে দেওয়া রুল গত ৫ জুন যথাযথ ঘোষণা করে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন। সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা তখন জানিয়েছিলেন, এ রায়ের ফলে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে নবম থেকে ১৩তম গ্রেডে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকার বিধান বহাল থাকবে। পরে হাইকোর্টের এ রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা এই রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিলাম। বিষয়টিতে আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওই তারিখ (৪ জুলাই) ধার্য করেছেন আদালত।’

অ্যাডভোকেট মোতাহার হোসেন সাজু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আদালত ৪ তারিখ (৪ জুলাই) শুনানির জন্য রেখেছেন। তাই হাইকোর্টের রায়টি আপাতত বহাল আছে।’

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর ওই পরিপত্রে নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করা হয় এবং এক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি বাতিল করা হয়। এ পরিপত্রের বৈধতা চ্যালঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সরকারি চাকরিপ্রার্থী ময়মনসিংহের ফুলপুরের অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর এ পরিপত্রের বৈধতা প্রশ্নে রুল দেয় হাইকোর্ট। এর ধারাবাহিকতায় রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এ রায় হয়।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত