শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নাসাউয়ের উইকেটের চেয়েও আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান

আপডেট : ০৯ জুন ২০২৪, ০৭:১৫ পিএম

ক্রিকেটের এক বিস্ময়ের নাম পাকিস্তান। আগেভাগে তাদের নিয়ে অনুমান করা কঠিন। কখন কী করে বসে বলাও মুশকিল। এই যেমন ১৯৯২ বিশ্বকাপে তারা দাঁড়িয়েছিল বিদায়ের কিনারায়। সেখান থেকে ইমরানের নেতৃত্বে ঘুরে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত আসরেও তারা ছিল শঙ্কায়। শেষ পর্যন্ত ঘুরে দাঁড়িয়ে খেলেছে ফাইনাল।

এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটাও তারা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে। আজ ভারতের কাছে বাবরের দলের বিধ্বস্ত হওয়ার অনুমান করছেন অনেকে। তবে সুনীল গাভাস্কার ব্যতিক্রম।

‘পিএমজি’তে লেখা নিজের কলামে পাকিস্তানকে নিয়ে সতর্কতা জানালেন তিনি, ‘দুই দলের ম্যাচে সবসময়ই বলা হয় ভারতের ব্যাটারদের সঙ্গে পাকিস্তানের বোলারদের লড়াই। এবারও তাই হবে। ভারত অবশ্যই ফেবারিট আর পাকিস্তান আনপ্রেডিক্টেবল। নিউইয়র্কের পিচের চেয়েও বেশি আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান। ওরা কখন কি করবে কেউ অনুমান করতে পারে না।’

নিউইয়র্কের নাসাউ স্টেডিয়ামের পিচের অসমান বাউন্সে রান পাচ্ছেন না ব্যাটাররা। আইসিসি পিচ রোলিং করে আর ঘাস তুলে ব্যাটিং বান্ধব করার চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। উল্টো কাল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১০৪ রান তাড়া করতে নেমে ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।

এই মাঠেই মহারণে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। পিচ নিয়ে গাভাস্কার লিখেছেন, ‘নিউইয়র্কের পিচে বল থমকে আসছে। পাকিস্তানের বোলাররা সেটা কাজে লাগাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ওরা যেমন বল করেছে, এর চেয়েও ওদের বোলিং শক্তি অনেক ভালো। ওরা জানে ভারতের বিপক্ষে ভালো বল করে ম্যাচ জেতাতে পারলে সবাই মনে রাখবে।’

গত এক দশকে পাকিস্তানের চেয়ে অনেক এগিয়েছে ভারতের ক্রিকেট। মুখোমুখি লড়াইয়ে এই সময়ে তাই এগিয়ে রোহিত শর্মারাই। এ নিয়ে গাভাস্কার লিখেছেন, ‘আগের চেয়ে এখন ভারতীয় সমর্থকরা স্নায়ুর চাপে কম ভোগেন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাকিস্তান হেরে যাওয়ায় এবার সেই আত্মবিশ্বাস আরও বেড়েছে। তবে পাকিস্তানও চাইবে ভারতকে হারিয়ে নিজেদের সমর্থকদের বিশ্বাস জিততে। এটা ছোট ফরম্যাটের খেলা। দুইটা ভালো বল বা ভালো শটই কিন্তু ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে।’

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত