পশ্চিমারা যেটি করেছে তা চুরি ছাড়া অন্য কিছু না: পুতিন

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৪, ০৯:৪৯ পিএম

বিদেশে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদের মুনাফা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেইনকে ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি-৭। এটিকে ‘চুরি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে এর পরিণতি ভুগতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর দ্য গার্ডিয়ানের। 

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠককালে পুতিন বলেন, বিদেশে রাশিয়ার জব্দ করা সম্পদের মুনাফা কাজে লাগিয়ে ইউক্রেইনকে ঋণ দেওয়ার যে পরিকল্পনা পশ্চিমা দেশগুলো করেছে তা ‘চুরি’। এর সাজা না হয়ে যাবে না।

তিনি বলেন, পশ্চিমারা মস্কোর সঙ্গে যেমন আচরণ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে কোনো দেশ তাদের শিকার হতে পারে এবং একইভাবে তাদের সম্পদ জব্দ করা হতে পারে। এসব ছলচাতুরির পরও চুরি নিশ্চিতভাবে চুরিই থেকে যাবে এবং এর শাস্তি না হয়ে যাবে না।

পুতিন আরও বলেন, এখন এটি সব দেশ, কোম্পানি ও সার্বোভৌম সম্পদ তহবিলের কাছে স্পষ্ট হচ্ছে যে, আইনগত এবং অর্থনৈতিক দিক থেকেও তাদের সম্পদ এবং রিজার্ভ আর নিরাপদ না। যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা অন্যান্য দেশগুলো ভবিষ্যতে যে কারও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে পারে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে কয়েক হাজার সেনা পাঠানোর পর প্রায় ৩২৫ বিলিয়ন ডলারের রুশ সম্পদ জব্দ করে পশ্চিমারা। পরিকল্পনা অনুসারে, আন্তর্জাতিক বাজার থেকে একটি ঋণ গ্রহণ করে প্রতি বছর ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার দেবে জি-৭। ঋণের কিস্তি হিসেবে রুশ সম্পদের সুদ থেকে প্রতি বছর ৩ বিলিয়ন করে পরিশোধ করা হবে।

তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে, রাশিয়ার জব্দকৃত সম্পদ ইউক্রেনকে দিতে পারে না। কিন্তু রুশ সম্পদ থেকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সুদ আয় হচ্ছে। প্রতি বছর সুদের পরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার। ফলে এই সুদকে সৃজনশীল উপায়ে কাজে লাগাতে চাইছে দেশগুলো।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত