গত শনিবার তিস্তার পানি ভাগাভাগির চুক্তি নিয়ে বৈঠক করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছাড়াই এ বৈঠক করায় চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন তিনি।
মমতাকে বাদ দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিকে চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। এছাড়া চিঠিতে তিস্তা এবং ফারাক্কার পানি বাংলাদেশকে দেওয়ার বিষয়ে ব্যাপক আপত্তি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে ভারতজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
মোদিকে লেখা চিঠিতে মমতা বলেছেন, এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের পানীয় জলের চাহিদা মেটাতেও তিস্তার পানির প্রয়োজন। তাই বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি ভাগাভাগি করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেছেন, বাংলার জনগণ এই ধরনের চুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। চিঠিতে তিনি ভাগীরথীর ভাঙন থেকে শুরু করে কলকাতা বন্দরের সমস্যা পর্যন্ত তুলে ধরেন।
এছাড়া চিঠিতে, ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময়, ভারত-বাংলাদেশ রেলপথ ও বাস পরিষেবা চালুর দিকে ইঙ্গিত করে পশ্চিমবঙ্গের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে বাংলাদেশের সাথে কয়েকটি বিষয়ে সহযোগিতা করেছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
তবে পানি অত্যন্ত মূল্যবান এবং মানুষের জীবন বাঁচানোর হাতিয়ার। আমরা এমন একটি সংবেদনশীল ইস্যুতে আপস করতে পারি না; যা জনগণের ওপর মারাত্মক এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে, চিঠিতে লেখেন তিনি।
পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় নদী তিস্তার পানি বন্টনের প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সিকিমে কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ এবং নদীর ঊর্ধ্ব জলাভূমি এলাকায় বন উজাড়ের কারণে ভারতের দিকে তিস্তা ইতিমধ্যে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এখন ভাগাভাগি করার মতো পর্যাপ্ত পানি নেই।
মস্কোতে অফিস ভবনে ভয়াবহ আগুনে নিহত আট