সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩০ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

কোটা নিয়ে আকবর আলি খান যে ৩ সুপারিশ করেছিলেন

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫১ পিএম

আকবর আলি খান তখন বেঁচে ছিলেন। ২০১৯ সালে তাঁর গুলশানের বাসায় কথা হচ্ছিল প্রশাসনের নানা বিষয়ে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রশ্ন শুনে খানিকটা সময়ের জন্য নিজেকে সামলে নিলেন। তারপরই বললেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধ হিসেবেই মরতে চাই। রাজাকার হয়ে না। এ বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে কথা বললে রাজাকারের তকমা নিয়ে আমাকে মরতে হবে। আমি তা চাই না। আমার যেটুকু বলার তা নানা সময়ে বলেছি।’

কোটা নিয়ে কী বলেছিলেন আকবর আলি খান? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা ছাড়াও কোটা নিয়ে বিভিন্ন কমিশন ও কমিটি মতামতা দিয়েছিলেন।

২০০৮ সালের ৬ মার্চ আকবর আলি খান পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তৎকালিন চেয়ারম্যান ড. সাদ’ত হুসাইনের কাছে কোটা নিয়ে সমীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। রিগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে আকবর আলি খান ‘কোটা সিস্টেম ফর সিভিল সার্ভিস রিক্রুটমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শিরোনামে সমীক্ষাটি করেছিলেন সাবেক সচিব কাজী রকিব উদ্দীন আহমদকে সঙ্গে নিয়ে।

সমীক্ষা সুপারিশে কোটা নিয়ে তিনটি সুপারিশ করা হয়েছিল।

এক. সরকার কোটা পদ্ধতি বাতিল করতে পারে।

দুই. বিদ্যমান কোটা পদ্ধতির অসামঞ্জস্যতা দূর করা যেতে পারে এবং প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর প্রচলিত পদ্ধতি রিভিউ করা যেতে পারে।

তিন. কোটা পদ্ধতির মেয়াদকাল নির্ধারণ করা যেতে পারে।

সরকার যদি কোটা পদ্ধতি সংস্কার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা হলে সেক্ষেত্রে মেধা কোটা ৪৫ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করার সুপারিশ করা হয় সমীক্ষা প্রতিবেদনে। 

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত