গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান জানিয়েছেন, তিনি কখনোই বিসিএস পরীক্ষা দেননি। সুতরাং ২৪তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়ার প্রশ্নই আসে না।
সম্প্রতি দেশে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। হঠাৎ করেই এই কাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয় তাহসানের নাম। জানা যায়, প্রশ্নপত্র ফাঁসকাণ্ডে গ্রেপ্তার সৈয়দ আবেদ আলী ছিলেন তাহসানের মা সাবেক পিএসসি চেয়ারম্যান ড. জিনাতুন নেসার গাড়ির চালক।
এছাড়াও মায়ের ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হন তাহসান— এমন দাবি করেন কেউ কেউ। শেষ পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খুললেন তাহসান। দেশ রূপান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বললেন, ‘পুরো বিষয়টিই ভুয়া। আমি কখনোই বিসিএসে বসিনি। সুতরাং ২৪তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে প্রথম হওয়ার প্রশ্নই আসে না। আমার বিসিএস দেওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।’
প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে মায়ের নাম আসায় এই তারকা বলেন, ‘এখানে একটা ভুল হচ্ছে। এই ড্রাইভার অফিসের অন্য ড্রাইভারদের মতোই একজন। তিনি আমার মায়ের ড্রাইভার নন।’
গত সোমবার বিসিএস ও বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসকাণ্ডে পিএসসির চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।
যা বলছে রিউমার স্ক্যানার
ফ্যাক্ট চেকিং সংস্থা রিউমার স্ক্যানার জানিয়েছে, ২৪তম বিসিএসের ভাইভায় তাহসানের বাদ পড়ার বিষয়টি সত্য নয়। এতে বলা হয়, মূলত ২০০৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৪তম বিসিএস’র প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে ৩ মার্চ পরীক্ষাটি বাতিল করে পিএসসি। পরবর্তীতে পুনরায় ২৪তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং লিখিত পরীক্ষা ও ভাইবার মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম শেষ হয়।
অর্থাৎ যে বিসিএসে তাহসান পররাষ্ট্র ক্যাডার হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে সেটি প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরই বাতিল হয়, তাই তাহসানের সুপারিশ পাওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না। তাছাড়া ২৪তম বিসিএসে ভাইবা একবারই হয়েছিল। ফলে পুনরায় ভাইবায় অংশগ্রহণের দাবিটিও অমূলক।
প্রশ্নফাঁস: গ্রেপ্তার ১৭ জনের ব্যাংক হিসাব জব্দ
তাহসানের পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশ হবার খবরটি সত্য নয়
তাহসানকে নিয়ে যা বললেন প্রিন্স মাহমুদ