কোটা আন্দোলন: কলেজ শিক্ষার্থীদের তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৪, ০৮:৩৫ পিএম

ভোলা সরকারি কলেজে কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রস্তুতিকালে শিক্ষার্থীদের মারধর ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে কলেজের ১নং গেট থেকে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে ক্যাম্পাসের বাইরে ও ভেতরে দুই দফা মারধর করা হয়। এতে আহত হয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র হাবিবুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মো. সোহান। তারা ভোলা জেলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে মারধরের কথা আস্বীকার করেছে ছাত্রলীগ।

আহতরা জানান, বেলা ১২টার দিকে কোটা সংস্কার কর্মসূচিতে অংশ নিতে ভোলা সরকারি কলেজের কয়েকজন (৬/৭জন) ছাত্র কলেজের ১নং কেটে অবস্থান করছিল। এ সময় ছাত্রলীগের ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী এসে তাদের তুলে নিয়ে কলেজের সামনের একটি বাগানের ভেতর মারধর করে ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। সেখান থেকে এনে কলেজের পেছনে নিয়ে দ্বিতীয়দফা মারধর করা হয়। এতে তুলে নেয়া সাবাই আহত হলেও গুরুতর আহত হাবিবুর রহমান ও মো. সোহান হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে যাওয়ায় মারধর করা হয় বলে অভিযোগ আহতদের।

তবে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক হাসিব মাহমুদ হিমেল। তিনি জানান, কলেজে ছাত্রশিবিরের কমিটি গঠন খবর পেয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে যান। এছাড়া কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের যেন কোনো দুর্ভোগ না হয় সে কারণে ছাত্রলীগ কলেজে অবস্থান নেয়। 
শিক্ষার্থীদের মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত