টেস্ট ক্রিকেটে একশ কিলোমিটার গতিতে বলা করা প্রথম বোলার কে হবেন? প্রশ্নটা বহুদিনের। ক্রিকেটের বনেদি ফরম্যাটে সর্বোচ্চ গতির বলের রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের। তিনি ২০১৫ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯.৬ মাইল বা প্রায় ১৬০.৩ কিলোমিটার গতিতে বল করেছিলেন। ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকস মনে করেন, এই মাইলফলকের খুব কাছে আছেন মার্ক উড।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একশ মাইল গতিতে বোলিং করার কৃতিত্ব একমাত্র শোয়েব আখতারেরই আছে। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত পাকিস্তানের এই গতি তারকা ২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০০.২ মাইল গতিতে বোলিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টেন্টব্রিজ টেস্টে ৯৭.১ মাইল গতিতে বল করেছেন মার্ক উড। তার একটি বাউন্সার সামলাতে গিয়ে হাতই ভেঙে গেছে কেভিন সিনক্লেয়ারের!
এজবাস্টন টেস্টের আগে ইংল্যান্ডের লাল বলের অধিনায়ক স্টোকস বলেছেন, ঘণ্টায় ১০০ মাইল বেগে বোলিং করার সামর্থ্য মার্ক উডের আছে। তবে সে এটা নিয়ে চিন্তিত নয়, ‘আমার মনে হয় না সে এটি (১০০ মাইল বেগে বোলিং) নিয়ে খুব একটা চিন্তিত। তাকে দেখে মনে হচ্ছে, সে এটার আরও কাছে চলে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আসলে সে এখন যা করছে, সত্যি বলতে তা নিয়েই খুশি। এমন গতি ধরে রাখাটা দুর্দান্ত। সে যখনই টেস্ট ম্যাচ খেলে, তার গড় গতি ঘণ্টায় ৯০ মাইলের ওপর থাকে।’
সতীর্থের প্রশংসায় স্টোকস আরও বলেন, ‘ম্যাচ চলাকালীন উড সবসময়ই পর্দায় দেখে নেয় সে কত গতিতে বল করছে। সে জানে, সে শুধু দক্ষতার সঙ্গে বোলিং করার জন্য নয় কিন্তু দ্রুতগতিতে বোলিং করার জন্যও দলে আছে। একটা স্পেলে ৯০-এর বেশিতে করাটা ভালো কিন্তু সে ইংল্যান্ডের হয়ে প্রতিটি স্পেলেই ঘণ্টায় ৯০ মাইলের বেশি গতি তোলে। তার সিংহ হৃদয়। স্পেলের পর স্পেল, বলের পর বল করে যায়।’
প্যারিস অলিম্পিকে খাদ্য সংকট!
কোহলিদেরকে মালিক, ‘পাকিস্তানে খেলতে আসুন’
প্যারিস অলিম্পিকে ‘দেশহীন’ ৩৭ খেলোয়াড়