কোটা আন্দোলনে সহিংসতা ও গুলিতে আহত অনেকেই হাসপাতালে এখনো চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে অর্ধশতাধিক গুলিবিদ্ধ মানুষ চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালটির পরিচালক ডা. কাজী শামীম উজজামান গণমাধ্যমকে জানান, বুধবার (৩১ জুলাই) পর্যন্ত তার হাসপাতালে ৭২ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তারা সবাই গুলিতে আহত।
এছাড়াও তিনি জানান, এ আন্দোলনে গুলিতে আহত ছয়জনের হাত অথবা পা কেটে ফেলতে হয়েছে। গুলি একদিক থেকে ঢুকে আরেকদিকে বেরিয়ে গেছে। হাত পা না কেটে ফেললে তাদের জীবন ঝুঁকিতে পড়তো।
রংপুরে আহত একজন পেশাজীবী লিওনুর ইসলাম লিওন অভিযোগ করেন, তার বাড়ির কাছেই পুলিশ তাকে গুলি করেছে। শুক্রবার বোনের বিয়ের জন্য তিনি ময়মসিংহ থেকে রংপুরে গিয়েছিলেন।
আন্দোলনের সময় এলাকার এইচএসসি পরীক্ষার্থী কয়েকজনকে পুলিশ ধরে নিচ্ছে দেখে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন, তখন তার পায়ে গুলি করা হয়।
তিনি বলেন, পিকটিং হিসেবে দৌঁড়াইও নাই, পালাইও নাই। আমি জাস্ট সামনাসামনি কথা বলতেছি। পেছন থেকে একজন বলতেছে স্যার ও লিডার হইতে পারে বলেই আমার পায়ে বন্দুক লাগায়ে শ্যুট করছে।
