চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিল্প সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই সংহতি প্রকাশ করেছেন। এদের মধ্যে দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজের ব্যানারে অভিনয় শিল্পীরা রয়েছেন। তারা ফার্মগেটে নেমে শিক্ষার্থীদের দাবির যৌক্তিকতার পক্ষে কথা বলেন।
এদিকে, ইন্টারনেট বন্ধ করায় ক্ষিপ্ত হয়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। এক ফেসবুক পোস্টে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছোটপর্দার এই অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, পারে শুধু ইন্টারনেট-ই বন্ধ করতে! এর আগেও তো বন্ধ করসে, লাভ হইসে কোনো? হয়নাই, হবেওনা । সাধারণ মানুষের ক্ষমতার ব্যাপারে তো এতদিনে একটু হলেও ধারণা হওয়ার কথা যে এরা একেকটা আগুন । পুরা দুনিয়ায় আগুন ধরায় দেয়ার ক্ষমতা রাখে এই মানুষগুলা । সো স্টপ দিস স্টুপিড গেম এন্ড প্রে “ইয়া নাফসি ইয়া নাফসি, নিজের বাঁচন নিজে বাঁচি”
এর আগে সাদিয়া আয়মান বিটিভিতে যাওয়া শিল্পীদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিল্প সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেকেই সংহতি প্রকাশ করেছেন। এদের মধ্যে দৃশ্যমাধ্যম শিল্পী সমাজের ব্যানারে অভিনয় শিল্পীরা রয়েছেন। তারা ফার্মগেটে নেমে শিক্ষার্থীদের দাবির যৌক্তিকতার পক্ষে কথা বলেন।
বিটিভি প্রাঙ্গনে গিয়ে তাদের কান্নার দৃশ্য ভালোভাবে নেননি তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে রোকেয়া প্রাচী, ফেরদৌসদের ঘৃণা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডি এবং পেজে একটি কার্ড শেয়ার করে সে শিল্পীদের সমালোচনা করেন সাদিয়া আয়মান। বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেছিলেন, ‘বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’ কার্ডটি শেয়ার করে সাদিয়া লিখেছিলেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ।’
নিজের সে মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে শুক্রবার রাত ৯টার কিছু সময় পর দেওয়া এক পোস্টে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এত ছাত্র-ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন?’
ক্ষোভ জানিয়ে সে পোস্টে সাদিয়া আরও লিখেছেন, ‘কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।’
রাফসানকে তাড়িয়ে দেওয়ায় ক্ষিপ্ত সালমান মুক্তাদির
আন্দোলনকারীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন তাসনিয়া ফারিণ
অবস্থান বদলে ফেললেন গানবাংলার তাপস
যারা অন্যায় দেখে চুপ আছেন, তারা কাপুরুষ: প্রভা