গত সপ্তাহেই রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় ভূখণ্ড কুরস্কে ঢুকে হামলা শুরু করেছিল ইউক্রেনের সৈন্যরা। সীমান্ত পেরিয়ে এ আক্রমণ শুরু করার পর রুশ ভূখণ্ডের এক হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখলে নেওয়ার দাবি করেন ইউক্রেনের শীর্ষ কমান্ডার ওলেকসান্দর সিরস্কি।
ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলের ৭৪টি গ্রাম নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে ইউক্রেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনীয় সেনারা রুশ ভূখণ্ডের আরও ১ থেকে ৩ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি।
বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলের গভীরে এগিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনের সৈন্যরা। যার ফলে রুশ বাহিনীর সাথে চলছে তুমুল লড়াই। ইতিমধ্যে ওই অঞ্চলের ৭৪টি শহর ও গ্রাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে ইউক্রেনীয় সৈন্যরা।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে এটিই রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনীয় সেনাদের সবচেয়ে গভীর এবং উল্লেখযোগ্য অনুপ্রবেশ।
এদিকে রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলেও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তে অবস্থিত বেলগোরোদে ক্রমাগত বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে কিয়েভ। সে কারণে ওই অঞ্চলের গভর্নর সেখানে জরুরি অবস্থা জারি করতে বাধ্য হয়েছেন।
রাশিয়ার সীমান্ত এলাকা থেকে প্রায় ২ লাখ মানুষকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেলগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর ব্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ। ইউক্রেনীয় বাহিনীর গুলিবর্ষণ বাড়িঘর ধ্বংস করছে এবং বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা ও আহত করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে রাশিয়ার অঞ্চল দখল করার কোন ইচ্ছা নেই বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেন, “এই আক্রমণের উদ্দেশ্য রাশিয়ার ভূখণ্ড দখল করা নয় বরং রাশিয়াকে শান্তিতে বাধ্য করার উপায়।“
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত