ভারতের সাহায্যে আওয়ামী লীগ দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন কৌশল আবিষ্কার হচ্ছে। এখন নতুন একটা প্লট নিয়েছে ষড়যন্ত্রকারীরা, সেটা হচ্ছে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার। তাদের মূল টার্গেট (লক্ষ্য) হচ্ছে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে ভারতের সাহায্যে নিয়ে আবার যদি কিছু করা যায়।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সারাদেশে নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান বিএনপি মহাসচিব।
ঝামেলা করে আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই টিকতে পারবে না হুঁশিয়ারি করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধানমন্ডি- ৩২ নম্বরে ফুল দেবেন কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু ছাত্ররা আপনাদের আর দেখতে চায় না। ছাত্রজনতার বিপ্লবে বিএনপির ১১ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখন আর ঝামেলা করে আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই টিকতে পারবে না।
অন্তর্বর্তী সরকার যতদিন গণতন্ত্রের পক্ষে থাকে ততদিন সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, এটা হচ্ছে অভ্যুত্থানের সরকার, আন্দোলনের ফসল। আমরা তাদের সহযোগিতা দেব, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা গণতন্ত্রের পক্ষে থাকে এবং গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করে।
আন্দোলনে গণহত্যাকারীদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে। যারা দুর্নীতি-অর্থপাচার করেছে তাদেরকেও বিচারের আওতায় আনতে হবে। এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ারও আহ্বান জানান বিএনপি মহাসচিব।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে নির্বাচন দিবে তাতে জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এক্ষেত্রে সরকারকে যৌক্তিক সময় দেবে বিএনপি। এই সরকারকে গণতান্ত্রিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর পর্যন্ত সহযোগিতা করার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর জনগণ আস্থা রেখেছে, তারা একটু স্বস্তি ফিরিয়ে দিয়েছে। তারা নির্বাচন দেবে, একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন দেবে। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের ভোট দিয়ে তাদের সরকার গঠন করবে—আমরা সেটাই চাই। আমরা চাই, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার পরিবর্তন হোক।
বাংলাদেশ সিরিজে বিশ্রামে বুমরা!
‘ছাত্রলীগ ফোন চেক করলে প্রাইভেসি লঙ্ঘন, আপনারা করলেও লঙ্ঘন’