অধিকাংশ ভোগ্যপণ্যের দাম নিম্নমুখী

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৪, ০৫:১০ এএম

সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগি, ডিম ও সব ধরনের সবজির দামে কমেছে অন্তত ৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত। সরেজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

বর্তমানে সবজির বাজারগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, ক্রমেই কমতে শুরু করেছে সবজির দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির কেজিতে অন্তত ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। প্রতি কেজি কচুরমুখী ৬০-৭০, পেঁয়াজ ১১০, আলু ৫৫, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০, করলা ৬০-৭০, কাঁকরোল ৬০, বেগুন-পটোল ৫০, শসা ৪০, বরবটি ৭০-৮০, ঝিঙা ৫০-৬০, পেঁপে ৩০, টমেটো ১৬০, কাঁচা মরিচ ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির ব্যবসায়ীরা বলছেন, এখন আর নামে-বেনামে চাঁদা দিতে হচ্ছে না। ফলে সব ধরনের সবজির দাম কমতির দিকে। মহাখালী কাঁচা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মাসুদ হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, কয়েক দিন থেকে শিক্ষার্থীরা বাজারে আসছেন। আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন। তাদের সক্রিয় ভূমিকা থাকায় এখন আর কোনো পয়েন্টে চাঁদা দিতে হচ্ছে না। ফলে সব ধরনের সবজির কেজিতে অন্তত ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে। অর্থাৎ আগে এই অতিরিক্ত অর্থ চাঁদার জন্য বাড়তি নিতে হতো।

সবজির বাজারের মতো ডিম ও মুরগির বাজারেও কিছুটা স্বস্তির খবর মিলেছে। কেজিপ্রতি ব্রয়লারসহ অন্যান্য মুরগির দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। গেল সপ্তাহে ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হওয়া ব্রয়লার এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায়। একইভাবে ৪০ টাকা কমে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকা।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ৮ থেকে ১০ টাকা কমেছে ডিমের হালিতে। বর্তমানে প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে, যা গত সপ্তাহেও বিক্রি হয়েছিল ৫৫ থেকে ৫৮ টাকায়।

কারওয়ান বাজারের ডিম ব্যবসায়ী মো. তুহিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, পাইকারি বাজার থেকে কম দামে ডিম কিনতে পারায় খুচরায় আমরা কম দামে বিক্রি করতে পারছি। এতে করে আগের মতো ক্রেতাদের সঙ্গে বাগ্বিত-ায় জড়াতে হচ্ছে না।

অন্যদিকে ডিম, মুরগি ও সবজির বাজারের মতো তেমন কোনো সুখবর পাওয়া যায়নি মাছের বাজারে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ মাছ অপরিবর্তিত দামে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ২০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১৬০০ ও এক কেজির নিচে ১৪০০ টাকা। প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০, তেলাপিয়া ২০০-২২০, রুই ৩৫০, কাতল ৩৮০, কৈ ২৫০ ও মলা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকায়।

চালের বাজারেও একই পরিস্থিতি দেখা গেছে। প্রতি কেজি নাজিরশাইল ৭২-৮০, পাইজাম ৭৭, ব্রি-আটাশ ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের চাল ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান বলেন, চালের দাম জুলাই মাসে যা বেড়েছিল সেই অবস্থায় আছে। বর্তমানে কোনো চালের দাম বাড়েনি।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত