গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

আপডেট : ১৭ আগস্ট ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক কৃষকের প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ লোকজনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই কৃষকের আমন ধান রোপণেও দেওয়া হয়েছে বাধা। এতে বেকায়দায় পড়েছেন কৃষক পরিবারটি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের নিজতুলন্দর গ্রামে।

গতকাল (১৬ আগস্ট) শুক্রবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, যেখানটায় কৃষকের বাঁশঝাড় ও গাছ ছিল সেখানে কাটা অবস্থায় পড়ে আছে রেন্ট্রি, কড়ই, মেহগণিসহ ছোট বড় অর্ধশতাধিক গাছের গোড়া।

জানা গেছে, ৩৭ বছর আগে উপজেলার নিজতুলন্দর গ্রামের একরাম হোসেন ও তার পরিবার পৈত্রিক জমিজমা বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে উধাও হন। ক্রয়কৃত জমি ভোগদখল করে আসছেন জুবেদ আলী ও তার পরিবার। উধাও হয়ে যাওয়া একরাম হোসেনের ছেলেরা সম্প্রতি এলাকায় ফেরেন। পূর্বে বিক্রি করে দেওয়া জমিতে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ অবিক্রিত রয়েছে দাবি করে বেদখলের চেষ্টা করেন। এলাকার প্রভাবশালীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জুবেদ আলীর খারিজ করা নিস্কন্টক জমিতে আমন রোপণে বাধা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জুবেদলীর মেয়ে আছিয়া খতুন উপজেলায় অবস্থানকারী সেনা সদস্যের শরণাপন্ন হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানকে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে।

আছিয়া খাতুন জানান, তাদের ক্রয়কৃত ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া জমিতে আমন রোপণে বাধা দেওয়া হয়েছে। কেটে ফেলা হয়েছে অর্ধশতাধিক গাছ। প্রতিপক্ষের লোকজন এলাকার প্রভাবশালীদের সঙ্গে অর্থের বিনিময় করে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে একরাম হোসেনের ছেলে ফজলুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিরোধপূর্ণ জমি তার পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত বলে দাবি করেন। সেই সঙ্গে কাটাগাছগুলো তাকে নিতে দেওয়া না হলে তিনি অন্যান্য জমিতে আমন রোপণ করতে দেবেন না বলে জানান।

এ বিষয়ে জাটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামছুল হক ঝন্টু বলেন, আগমী বুধবার উভয়পক্ষকে পরিষদে ডাকা হয়েছে। যার কাগজপত্র সঠিক পাওয়া যাবে তাকে জমি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত