হানসিকা মোতওয়ানি শিশুশিল্পী হিসেবে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক করেন। ২০০০ সালে ‘শাকা লাকা বুম বুম’-এ অভিনয় করেন। এরপর একতা কাপুরের জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘কিউকি সাস ভি কভি বহু থি’তেও কাজ করেন। কখনো হরমোনাল ইনজেকশনের কারণে, কখনো ভিডিও ফাঁসের কারণে লাইমলাইটে এসেছেন এই নায়িকা। তার সঙ্গে বিতর্ক যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
ভারতের দক্ষিণের জনপ্রিয় ও গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী হানসিকার বর্তমান বয়স ৩৩ বছর। ছোট পর্দা থেকে বলিউড ও টলিউডে নিজের ছাপ রেখেছেন এই অভিনেত্রী। চলচ্চিত্রের জন্য তিনি যতটা প্রশংসিত, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ততটাই আলোচিত। ২০০৩ সালে হৃতিক রোশন ও প্রীতি জিনতা অভিনীত ‘কোই মিল গ্যায়া’ ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পান হানসিকা মোতওয়ানি। এরপর তিনি পরিবারের সঙ্গে বিদেশে চলে যান। ২০০৭ সালে ফের কামব্যাক। চার বছর অভিনয় ছেড়ে থাকার পরে তেলেগু ছবি ‘দেশমুদুরু’র মাধ্যমে ফের পর্দায় ফেরেন। সে সময় হরমোন ইনজেকশন নেওয়ার কারণে বিতর্কের মুখে পড়েন। হানসিকা মোতওয়ানিকে দেখে ভক্তরাও অবাক হয়ে যান! অভিযোগ ওঠে, দ্রুত যৌবন পাওয়ার লক্ষ্যে পেশায় ডার্মাটোলজিস্ট মায়ের কাছ থেকে হরমোন ইনজেকশন নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেন তিনি।
অভিনেত্রী ফের শিরোনামে আসেন, যখন তার চেয়ে ১৮ বছরের বড় অভিনেতার সঙ্গে রোমান্স সিনে ধরা পড়েন। মাত্র ১৬ বছর বয়সে ‘আপকা শুরুর’ ছবিতে হিমেশ রেশমিয়ার সঙ্গে রোমাঞ্চে লিপ্ত হন। এই ছবির জন্য সেরা নবাগত অভিনেত্রীর পুরস্কারও পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালে গোয়ায় হানসিকা মোতওয়ানির বন্ধু রিঙ্কি বাজাজের সঙ্গে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করেন সোহেল কাঠুরিয়া। তাদের বিয়েতে হাজির ছিলেন অভিনেত্রী। একটা সময়ে সেই বন্ধুর সংসার ভেঙে তার স্বামীর সঙ্গেই সম্পর্কের অভিযোগ ওঠে হানসিকার বিরুদ্ধে। এমএমএস ফাঁস বিতর্কেও জড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৫ সালে একটি গোসলের ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে হানসিকাকে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। পরে হানসিকা নিজেই স্পষ্ট করেন, যে ভিডিওটি তার নয়। তার মতো দেখতে অন্য একজন মেয়ের। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগও ওঠে হানসিকার বিরুদ্ধে। ২০২২ সালে তার ছবি ‘মহা’ নিয়ে বিতর্ক হয়। ছবির পোস্টারে হানসিকাকে সাধ্বীর পোশাকে নেশা করতে দেখা গিয়েছিল।
হিন্দি ছবিতে খুব কমই কাজ করেছেন। তবে দক্ষিণী সিনেমার পরিচিত নায়িকা তিনি।
