জনগণের পরামর্শ নেবে শ্বেতপত্র কমিটি

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১০:১২ পিএম

জনগণের পরামর্শ নেবে শ্বেতপত্র কমিটি। এজন্য ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যে কেউ তার পরামর্শ দিতে পারবেন। সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পরামর্শ চেয়েছেন শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টচার্য্য।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে গত ২৯ আগস্ট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশের আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে প্রধান করে বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর শ্বেতপত্র প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এই কমিটিতে পরবর্তীতে দেশের ১১ জন বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

ইতিমধ্যে কমিটির সদস্যরা তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। পরিকল্পনা কমিশনে অবস্থিত শ্বেতপত্র কমিটির কার্যালয়ে ২৯ আগস্ট এবং ৩ সেপ্টেম্বর দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটি কী কী বিষয়ে কাজ করবে এবং কিভাবে তারা তথ্য-উপাত্তের বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার সংশ্লেষ ঘটাবে সে বিষয়ে সর্বশেষ সভায় সিদ্ধান্ত হয়।

এই প্রেক্ষিতে আগ্রহী ব্যক্তিদের নিম্নোক্ত মাধ্যমের সহায়তায় এই কমিটির কাছে তাদের পরামর্শ এবং সুপারিশ রাখতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। সবার সহযোগিতাতেই একটি পূর্ণাঙ্গ শ্বেতপত্র প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে কমিটি মনে করে।

পরামর্শ ও সুপারিশ পাঠানো যাবে ই-মেইলের মাধ্যমে এই ঠিকানায়: [email protected]। এ ছাড়া কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে জানা যাবে ফেসবুক: www.facebook.com/whitepaperbd2024 ও লিঙ্কডইন: www.linkedin.com/company/whitepaperbd2024 ঠিকানায়। এ ছাড়া পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে কমিটির কার্যালয়ে (ব্লক ৪, নিচতলা) একটি পরামর্শ বাক্স রাখা থাকবে। লিখিতভাবে এখানে পরামর্শ ও দলিলপত্রাদি জমা দেওয়া যাবে।

শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে আপনার মতামত ও পরামর্শ আহ্বান করছে। এ শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি পরিসংখ্যানের যথার্থতা ও নির্ভরযোগ্যতা; সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো; জিডিপির  প্রবৃদ্ধির পর্যালোচনা; মূল্যস্ফীতির ধারা এবং তার অভিঘাত; দারিদ্র্য, অসমতা এবং বিপন্নতা; অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ; সরকারি ব্যয় বরাদ্দে অগ্রাধিকার মূল্যায়ন; বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য এবং ঋণ ধারণক্ষমতা, মেগা-প্রকল্প সমূহের মূল্যায়ন, ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত অবস্থা; জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের পরিস্থিতি; ব্যবসা-পরিবেশ এবং বেসরকারি বিনিয়োগ; অবৈধ অর্থ ও তার পাচার; শ্রমবাজারের গতিশীলতা এবং যুব কর্মসংস্থান; বৈদেশিক  শ্রমবাজার ও প্রবাসী শ্রমিকদের অধিকার।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত