পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সম্ভাব্য সামরিক আদালতে বিচারের বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি)। পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার সামরিক বিচারের বিষয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে কিনা তা জানতে চেয়ে ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মিয়ানগুল হাসান আওরঙ্গজেব এ আদেশ দেন। আদালতে ইমরানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আলী উজাইর ভান্ডারি এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এজিপি) আজমত বশির তারার।
পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য ডন জানায়, বৃহস্পতিবার বিচারের জন্য ইমরান খানকে সম্ভাব্য সামরিক হেফাজতে স্থানান্তরের বিরুদ্ধে একটি আবেদনের শুনানি ছিল। এসময় আইনজীবী যুক্তি দেন সম্প্রতি আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক এবং কয়েকজন মন্ত্রী ইমরানের সম্ভাব্য সামরিক বিচারের ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইমরান একজন বেসামরিক নাগরিক এবং তার সামরিক বিচার আবেদনকারী এবং আদালত উভয়ের জন্যই উদ্বেগের বিষয়।
এসময় বিচারপতি আওরঙ্গজেন বলেন, ‘এসব স্রেফ রাজনৈতিক বিবৃতি, অন্য কিছু নয়।’ উত্তরে আইনজীবী বলেন, যদি এ ধরনের কিছু পরিকল্পনা করা হয়, তাহলে সরকারের উচিত স্পষ্ট অবস্থান জানানো। আজ যদি আমরা বলি কিছু নেই, কিন্তু আগামীকাল আপনি সামরিক বিচারের আদেশ দেবেন, তখন কী হবে? যদি এটি রাজনৈতিক বক্তব্য হয় তবে তা আদালতের আদেশে অন্তর্ভুক্ত করুন।
এরপরই বিচারপতি আওরঙ্গজেব সামরিক আইনে ইমরানের বিচার হবে কি না, সে বিষয়ে সরকারের অবস্থান সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়ে আদেশ দেন। কিছুক্ষণ বিরতির পর আবার শুনানি শুরু হলে বিচারক ফের বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সরকারকে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। পরে শুনানি মুলতবি করা হয়।
রাশিয়ায় ৬ ব্রিটিশ কূটনীতিক বহিষ্কার, ভূ-রাজনীতিতে নতুন মোড়
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে নিহত ৮৭৫: এইচআরএসএস