প্রমাণ নষ্টের অভিযোগে আরজি করের সাবেক অধ্যক্ষ এবং ওসি গ্রেপ্তার

  • প্রমাণ নষ্টের অভিযোগে গ্রেপ্তার আরজি করের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ
  • দেরিতে এফআইআর দায়ের করার অভিযোগে টালা থানার ওসি গ্রেপ্তার
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১১:১৬ এএম

কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় প্রমাণ নষ্টের অভিযোগে হাসপাতালের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই।

মামলার তথ্য-প্রমাণ লোপাট, ষড়যন্ত্র এবং নারী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দেরিতে এফআইআর দায়ের করার অভিযোগে ওসিকে গ্রেপ্তার করে সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আরজি করের সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং পুলিশ অফিসার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার তদন্তকে অন্যখাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। এই ঘটনার পর তাদের কার্যকলাপ সারা দেশে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।

যদিও আগে থেকেই আরজি করের আর্থিক দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ছিলেন সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। আপাতত প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে আছেন তিনি। এবার ওই চিকিৎসক তরুণীকে ধর্ষণ এবং খুনের মামলার তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো। 

এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) মেডিকেল কলেজ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগেও সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। 

বিক্ষোভকারী চিকিৎসকরা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বৈঠক না করেই ফিরে আসার কয়েক ঘন্টা পরে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মমতা বৈঠকটি সরাসরি সম্প্রচারের অনুরোধ অস্বীকার করায় বিক্ষোভরত চিকিৎসকরা বৈঠক না করেই ফিরে আসে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার জানিয়েছে, এ ঘটনায় নমুনা সংগ্রহ এবং ময়না তদন্তের প্রক্রিয়ার ঘাটতি রয়েছে চলে আগেই জানিয়েছিল সিবিআই। এ বার কলকাতা পুলিশের তদন্তেও ‘উদ্ভট ভুল’ খুঁজে পেয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এ ভুলের বিষয়ে উচ্চ আদালতে জানাবে সিবিআই।

গত ৯ আগস্ট আরজি করের ঘটনার পর ১১ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। সিবিআই এর হাতে দায়িত্ব যাওয়ার পরই ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে কেন্দ্রীয় সংস্থা লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করে।

এছাড়া হাসপাতালের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই সাবেক অধ্যক্ষ সন্দীপের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তাররা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত