বহু বছর ধরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করাসহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে আন্দোলন করে যাচ্ছেন শিক্ষকরা। কখনো জাতীয় প্রেসক্লাব আবার কখনো-বা রাজধানীর শাহবাগে দাঁড়িয়ে তাদের কয়েকটি দাবি নিয়ে আন্দোলন করতে দেখা যায়। কিন্তু নানা সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেও তা আর হয়নি।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর গঠিত হয়েছে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যে সরকারের উপদেষ্টারা রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলছেন। তাই রাষ্ট্র সংস্কারের এই সময়ে বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো) এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যমান সব বৈষম্য দূর করে শিক্ষকদের ন্যায্যতা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। সংগঠনটির মহাসচিব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম দেশ রূপান্তরের কাছে এমপিওভুক্ত শিক্ষায় বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
বাবেশিকফো সদস্যদের দাবি এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে ম্যানেজিং কমিটি (পরিচালনা পর্ষদ) প্রথা চালু আছে। এই কমিটি প্রথা চালু থাকায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগসহ অভ্যন্তরীণ আয়ে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা হস্তক্ষেপ করেন। ফলে কার্যত প্রতিষ্ঠানের কোনো উন্নয়ন হয় না। বরং প্রধান শিক্ষকদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করাতে বাধ্য করা হয়। তাই এই ম্যানেজিং কমিটি প্রথার বিলুপ্তি চান বাবেশিকফো সদস্যরা। তারা বলেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অভ্যন্তরীণ আয় জাতীয় কোষাগারে জমা দিলে প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করতে সমস্যা হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্জিত আয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সমন্বয় করে জাতীয়করণ করা হোক। এছাড়াও ২৫ শতাংশ ঈদ বোনাসের পরিবর্তন, ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসাভাতা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু করার দাবি জানিয়েছেন বাবেশিকফো সদস্যরা।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
বৈষম্য চান না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা