শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ডেসকোর মতমিনিময় 

বিদ্যুৎ সাশ্রয়কারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইনসেনটিভ দেওয়ার চিন্তা

আপডেট : ০৫ মে ২০২৫, ০৮:৪৫ পিএম

গ্রাহকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচেতনতামূলক নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ব বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠান ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।

এর অংশ হিসেবে আজ সোমবার সকালে ঢাকার নিকুঞ্জ কনভেনশন হলে ডেসকো আওতাধীন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবহার’ শীর্ষক এক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেসকোর চেয়ারম্যান ও পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে সরকারের ভর্তুকি ৫ টাকা। বিগত সরকারের আমলে নানা অনিয়মে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টর আজ চরম আর্থিক সংকটে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারকে প্রচুর ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। আমাদের এ থেকে মুক্তি পেতে হবে। ভর্তুকি কমিয়ে আনতে হবে। সেজন্য আমাদের প্রত্যেককে বিদ্যুৎ ব্যবহারে  সাশ্রয়ী হতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে বিদ্যুতের বড় গ্রাহক। অন্যদিকে শিক্ষকরা যদি ২ মিনিটও আলোচনা করে ছাত্রছাত্রীদের মননে বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়টি গেঁথে দিতে পারেন, তাহলে পড়াশোনা শেষে কর্মক্ষেত্রে যাবে তখন বাস্তব জীবনে বিদ্যুৎ সাশ্রয় বিষয়টি সহজে রপ্ত করতে পারবে। এতে জাতি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহমেদ। সবাইকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একজনের সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ অন্যজনের চাহিদা মেটাবে।

প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক (প্রশাসন) মো. কামরুল ইসলাম পাওয়ারপ্লে প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং প্রি-পেইড মিটারের ওপর জনসচেতনতামূলক স্লাইড প্রদর্শন করেন। প্রশ্নোত্তর পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং নির্বাহী পরিচালক অপারেশন (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী জুলফিকার তাহমিদ, নির্বাহী পরিচালক (প্রকৌশল, অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী মো. মনজুরুল হক।

অনুষ্ঠানে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমাদের বিবেক আর এথিক্সকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হতে হবে।

বিজিএমইএ ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন অধ্যাপক সিরাজুল করিম চৌধুরী বলেন, সুইচের ক্ষেত্রে অটোমেশন টেকনোলজি নিয়ে আসতে হবে যাতে করে নির্দিষ্ট সময় পরে সুইচ অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায়।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যদি বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে তাহলে তাদের ইনসেনটিভ দেওয়ার প্রস্তাব উঠলে ডেসকোর চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম প্রক্রিয়া ঠিক করে ইনসেনটিভ দেওয়ার আশ্বাস দেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত