লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন শিশু ও সাত নারীসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দক্ষিণ বৈরুতের দাহিয়া জেলায় এ হামলা চালানো হয়। শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে লেবাননের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিরাস আবিয়াদ এ তথ্য জানান।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফিরাস আবিয়াদ জানান, শুক্রবার ব্যস্ত সময়ে লেবাননের রাজধানীর দাহিয়া জেলায় দু’টি ভবন ধসে পড়ায় ৬০ জনেরও বেশি লোক আহত হয়েছে। নিহত তিন শিশুর বয়স চার, ছয় ও ১০ বছর বলে জানিয়েছে আবিয়াদ। জরুরি বিভাগের কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে ১৭ জনের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানায়, উদ্ধার অভিযান আরও একদিন বা তার বেশি সময় ধরে চলতে পারে। এই এলাকার অনেক দোকানপাট বন্ধ, খুব কম লোকের উপস্থিতি রয়েছে। কারণ, অনেকে বন্ধ করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গণপূর্ত ও পরিবহন মন্ত্রী আলী হামিদেহ আল জাজিরাকে বলেন, ‘আবাসিক ভবনে বোমা হামলা যুদ্ধাপরাধ এবং ইসরায়েল এই অঞ্চলটিকে যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।’
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা বৈরুতের শহরতলীতে হিজবুল্লাহর অভিজাত রাদওয়ান ফোর্সের জ্যেষ্ঠ সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, হামলায় অন্তত ১৬ হিজবুল্লাহ ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে।
হিজবুল্লাহ তাদের দুই শীর্ষ কমান্ডার ইব্রাহিম আকিল ও আহমাদ মাহমুদ ওয়াহাবিসহ আরও ১২ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে। গত জুলাইয়ে ইসরায়েলি বিমান হামলায় গোষ্ঠীটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ফুয়াদ শুকর নিহত হন।
ফ্রিজের ভেতর থেকে মিলল তরুণীর ৩০ টুকরা লাশ
শ্রীলঙ্কায় ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা