ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট বগুড়ায় পুলিশের গুলিতে আহত হয় জুনায়েদ ইসলাম রাতুল (১৩)। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চীনে পাঠানোর কথা ছিল, তবে তা আর হলো না। ৪৮ দিন চিকিৎসা শেষে শরীরে সাড়ে চারশ’র অধিক ছররা গুলি নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বগুড়া শহরের মোস্তাফাবিয়া মাদ্রাসায় রাতুলের জানাযা নামাজ পড়ান তার বড়ভাই আমির হামজা। নামাজ শেষে তিনি এমনটায় জানান।
রাতুল বগুড়া শহরের হাকির মোড় ঘোনপাড়া এলাকার মুদি দোকানী জিয়াউর রহমানের ছেলে ও উপশহর পথ পাবলিক স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
আমির হামজা বলেন, গত ৫ আগস্ট বিকালে শেখ হাসিনার পতন হলে বড় ভাই ও বোনের সাথে মিছিলে যায় রাতুল। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বগুড়া সদর থানার সামনে গেলে ৯/১০ হাত দূরত্ব থেকে পুলিশ ছররা গুলি করে। প্রথমে গুলি তার চোখে লাগে, তারপর পিঠে, মাথায় ও বুকে। এসময় রাস্তায় পড়ে গেলে আবারও পিঠে গুলি করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
রাতুলসহ আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন তাদের হত্যাকারীদে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, যে পুলিশ রাতুলকে গুলি করেছে তাকেও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। সেইসঙ্গে শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি করেন তিনি। যাতে দেশের মানুষ শান্তি পায়।
ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে রাতুলের মা বলেন, যে পুলিশ রাতুলকে গুলিকে করছে আমরা তার বিচার চাই। সেইসঙ্গে হাসিনার ফাঁসি চাই। যদি ফাঁসি না হয় তাহলে এসব করার কোনো মানে হয় না।
বন্যার্তদের সহায়তায় ৫৩ লাখ টাকা অনুদান দিল নোভারটিস
আশুলিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলেসহ ৩৪১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা