রাষ্ট্র সংস্কারে আওয়ামী লীগকেও চান জয়

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৫:৩০ পিএম

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সংস্কারের মধ্য দিয়ে ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন দেখার যে প্রত্যাশার কথা বলেছেন, তাতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। যদিও ওই সময়সীমা তার নিজের প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি দীর্ঘ।

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী জয় বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, তাদের দল আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ ছাড়া অর্থবহ সংস্কার এবং নির্বাচন ‘অসম্ভব’ বলে তিনি মনে করেন।

রক্তক্ষয়ী ছাত্র বিক্ষোভের সময় শেখ হাসিনাকে রক্ষায় পদক্ষেপ নিতে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান অস্বীকৃতি জানানোর পর ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, দেশে দেড় বছরের মধ্যে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। 
 
ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, 'শেষপর্যন্ত আমরা একটা সময়সীমা পেয়েছি, এতে আমি খুশী। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, একটি অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার দেশে নানা সংস্কারের কথা বলছে, যা পরিস্থিতিকে আরো খারাপ করে তুলবে। তবে এরকম নাটক আমরা আগেও দেখেছি, যেখানে একটি অসাংবিধানিক, অনির্বাচিত সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তারপরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।' 

শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ বাহিনী অকার্যকর হয়ে পড়লে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, 'দেশের সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে কোনো গ্রহণযোগ্য সংস্কার বা নির্বাচন করা অসম্ভব। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর নির্ভর করছে যে, তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আলোচনা করবে নাকি তাদের মতো করে নির্বাচন আয়োজন করবে।'

গত মাসে রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সজীব ওয়াজেদ দাবি করেছিলেন যে, শেখ হাসিনা দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হবেন এবং পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে চায়।

বাংলাদেশের গণআন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনার বিচার দাবি করছে শিক্ষার্থীরা।

শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন কী-না,মঙ্গলবার জানতে চাওয়া হলে সজীব ওয়াজেদ বলেছেন, 'এটা তার (শেখ হাসিনা) সিদ্ধান্ত। এই মুহূর্তে আমি আমার দলের লোকজনকে নিরাপদে রাখতে চাই। ইউনূস সরকার তাদের ওপর যে নিষ্ঠুরতা চালাচ্ছে, সেটাকে আমি বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চাই।'

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত