নিজেদের অগমেন্টেড রিয়ালিটি গ্লাসের আপগ্রেডেড সংস্করণ আনার ঘোষণা দিয়েছে স্ন্যাপ। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে কোম্পানিটি ‘পরিধানযোগ্য ডিভাইসকে বাস্তব পৃথিবী দেখার নতুন উপায় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার বাজিতে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল’ বলে প্রতিবেদনে লিখেছে রয়টার্স। স্ন্যাপ দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের মেসেজিং অ্যাপ স্ন্যাপচ্যাট ও এর বিভিন্ন অ্যানিমেট করা ফিল্টারের জন্য পরিচিতি পেলেও অগমেন্টেড রিয়ালিটির ক্ষেত্রেও প্রথম সারিতে। যেখানে ক্যামেরা ও লেন্সের সহায়তায় বাস্তবিক পরিবেশে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে ডিজিটাল ইফেক্ট যোগ করার সুবিধা মেলে।
স্পেকটাকলসের প্রথম সংস্করণ এসেছিল ২০১৬ সালে। তবে সে প্রচেষ্টায় স্ন্যাপের আয় বাড়েনি, যাদের ব্যবসানির্ভর করে ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বিক্রির ওপর। এআর খাতে অগ্রগতির এ দৌড়ে আছে বাঘা বাঘা সব প্রতিযোগী। এদের অন্যতম মেটা সামনের সপ্তাহেই ‘কানেক্ট’ ডেভেলপার কনফারেন্সে নিজেদের প্রথম এআর গ্লাস দেখাতে পারে। স্পেকটাকলসের পঞ্চম প্রজন্মে ‘স্ন্যাপওএস’ নামের নতুন অপারেটিং সিস্টেম যোগ হয়েছে। এ ইউজার ইন্টারফেস পরিধানকারীর হাত ও কণ্ঠস্বরের বিপরীতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে থাকে। এর অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর আশপাশের পরিবেশ বিবেচনায় নিয়ে এআর দিয়ে বিভিন্ন ইফেক্ট তৈরির বিষয়টি আরও ভালোভাবে বোঝে বলে কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলনে দাবি করেছেন স্ন্যাপের সিইও ইভান স্পিগেল। এর আগের সংস্করণের বিভিন্ন গ্লাসের তুলনায় নতুন গ্লাসগুলোর ‘ফিল্ড অব ভিশন’ বড় ও সূর্যালোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এর রঙ পাল্টে যায়। গ্লাসটি প্রাথমিকভাবে গ্রাহকদের কাছে বিক্রি না হলেও নানা ধরনের এআর ফিচার বানান এমন ডেভেলপাররা মাসিক ৯৯ ডলার পরিশোধ করে এটি নিতে পারবেন।
