গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের পর থেকে সিটি করপোরেশনসহ কার্যত নাগরিক সেবা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধিরা অনুপস্থিত রয়েছেন। এ কারণে ডেঙ্গুজ্বরবাহী এডিস মশা নিধনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এ ছাড়া জনপ্রতিনিধি না থাকায় ঢাকাসহ সারা দেশের নগর এলাকায় নাগরিক সেবার মান তলানিতে পৌঁছেছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডেঙ্গুর ভর মৌসুমে মশক নিধন ছাড়াও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিসান সনদ, নাগরিক সনদ, পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধ নিষ্পত্তি, সামাজিক শৃঙ্খলা, রাস্তাঘাট মেরামত এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মতো গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক সেবায় স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে যেকোনো সমস্যায় পড়লে নাগরিকরা ছুটে যেতেন কাউন্সিলরদের কাছে। এমনকি আন্দোলন-পরবর্তী সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনুপস্থিতিতে অনেক কাউন্সিলর সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেছেন। তাদের অনুপস্থিতিতে সরকারি আমলাদের দিয়ে যে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে, তাতে নাগরিক সেবার শূন্যতা পূরণ হবে না।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে
জনপ্রতিনিধিশূন্য নগর সেবা তলানিতে