এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছেড়েছেন বাবর আজম। তার ফর্মটাও অনেকদিন ধরে ভালো নেই। ফর্মে ফিরতে সাবেক ক্রিকেটাররা তাকে নেতৃত্ব ছাড়ার পরামর্শও দিয়েছিলেন। কিন্তু শুধুই কি ফর্মে ফিরতেই পদত্যাগ করেছেন বাবর? পাকিস্তানি গণমাধ্যম কিন্তু অন্য কথাই বলছে।
বাবরের নেতৃত্বে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল। বিশ্বকাপের রিপোর্টে নাকি সাদা বলের কোচ গ্যারি কারস্টেন এবং সহকারী কোচ আজহার মেহমুদ পুরো দায় বাবরের ঘাড়ে চাপিয়েছেন। এতেই চটে গিয়ে আবরও অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বাবর আজম।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কারস্টেন এবং সহকারী কোটের রিপোর্টে বাবর সন্তুষ্ট নয়। তার মনে হয়েছে পুরো দায় কেবলমাত্র তার উপর চাপানো হয়েছে। এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বাবর আরও ক্ষুব্ধ। এ কারণেই সে আর অধিনায়ক থাকতে চায়নি। বোর্ড প্রধানকে নিজের বক্তব্য জানিয়েছে বাবর। তার মতে, একজন অধিনায়কের সঙ্গে কোনো কোচ এমন আচরণ করতে পারেন না।’
অন্য একটি সূত্র বলছে, পিসিবির ওপরেও খুব একটা খুশি নন বাবর। দ্বিতীয় দফায় তাকে যখন অধিনায়ক করা হয়, তখন বলা হয়েছিল, টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দিতে হবে। ওয়ানডে দলের কথা বলা হয়নি। দীর্ঘদিন পাকিস্তান ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেনি। এই পরিস্থিতিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনিই অধিনায়ক হবেন কিনা- সেটা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন বাবর। সেই কারণেই তিনি নেতৃত্ব ছেড়েছেন।
বাবরের পদত্যাগের পর এখনো নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেনি পিসিবি। জানা গেছে, নতুন অধিনায়ক নির্বাচনে পিসিবি ‘ধীরে চলো’ নীতি গ্রহণ করেছে। কোচ কারস্টেন, প্রধান নির্বাচক আসাদ শফিক ও নির্বাচক কমিটির কয়েকজনকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
ভাই-ভাগ্নেদের নিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে রশিদ খান
ভিনির পুরনো প্রেমিকা ফিরে এসেছেন
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১০০ উইকেট নাহিদার